সিঙ্গল বেঞ্চের পরে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Shubhendu Adhikari)। নবান্নের সামনে ধর্নায় বসার কর্মসূচিতে অনুমতি দিল না ডিভিশন বেঞ্চও। আইপ্যাকে ইডি-র তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে নবান্নের সামনে ধর্না দিতে চায় বিজেপি। পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায়, হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দুরা। ১৬ জানুয়ারি ধর্নার আর্জি খারিজ করে দেন হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় বিজেপি। বৃহস্পতিবার অনুমতি দিল না ডিভিশন বেঞ্চও।

৮ জানুয়ারি তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ED কাজ শুরুর অনেক ঘণ্টা পরে প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। দু’টি জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। এই ঘটনার প্রতিবাদে নবান্নের সামনে ধর্নায় বসার কর্মসূচি ঘোষণা করেন শুভেন্দু (Shubhendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি।

অনুমতি আদায়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন BJP বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। অনুমতি দেয়নি বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের সিঙ্গন বেঞ্চ। পরিবর্তে সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল, নবান্নের সামনে নয়, কিছুটা দূরে মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডে ধর্না করতে পারবেন শুভেন্দু-সহ বাকিরা। কোনও মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে না। পঞ্চাশের বেশি লোক নিয়ে জমায়েত করা যাবে না। ধর্না মঞ্চ থেকে কোনও প্ররোচনামূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না।

এই নির্দেশের বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় বিজেপি (BJP)। এ দিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ৫০ জন বিধায়ক নিয়ে নবান্নের সামনে ধর্না দেওয়া যাবে না। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বজায় রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে ফের ধাক্কা খেলেন শুভেন্দু।

–

–

–

–

–



