প্রয়াত গোপীনাথ ঘোষ(Gopinath Ghosh)।অসামান্য অবদান বাংলার খেলাধুলায়। প্রাক্তন হকি খেলোয়াড় ও বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন কর্তা গোপীনাথ ঘোষের প্রয়ানে শোকাহত বাংলার ক্রীড়া মহল। শোক প্ৰকাশ বিওএ -র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অসুস্থ হয়ে গত সোমবার দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার রাতে তাঁর প্রয়াণ ঘটে।

হকি খেলোয়াড় ছিলেন গোপীনাথ(Gopinath Ghosh), মোহনবাগান দলে খেলেছেন, কিন্তু ময়দানে তিনি পরিচিত ছিল সুদক্ষ ক্রীড়া প্রশাসক হিসাবেই। দীর্ঘ দিন ধরেই রাজ্য টেবল টেনিস এবং হকি প্রশাসনে যুক্ত ছিলেন।

বরাবরই সুবক্তা গোপীনাথবাবু পেশাদারী জীবনে ছিলেন একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। কনসেপ্ট কমিউনিকেশনে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ক্রীড়া প্রশাসনে এসেও নিজের সেই দক্ষতার ছাপ রাখেন। ৮০-র দশকে মস্কোয় ভারতের গুড উইল সফর হত। সেখানে তিনি ভারতের প্রতিনিধি হয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৮৭ সালে দিল্লিতে সাফ গেমসের অন্যতম আয়োজক ছিলেন গোপীনাথ ঘোষ।

তবে রাজ্য টেবল টেনিসে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। আট এবং নয়ের দশকে রাজ্য টেবিল টেনিসের পরিচালনায় গোপীনাথ ঘোষ এবং রবি চক্রবর্তীর জুটির কথা সর্বজনবিদিত । তাঁর সময় কালে গণেশ কুণ্ডু, অরূপ বসাক, কিশলয় বসাক, নুপুর সাঁতরা, মান্তু ঘোষ, অনিন্দিতা চক্রবর্তী, পৌলমী ঘটক, মৌমা দাস’রা উঠে আসেন । টেবিল টেনিসকে বাংলাকে দেশের মধ্যে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে গোপীনাথের অবদান থেকে যাবে চিরদিন ।

গোপীনাথ ঘোষের আমলে জাতীয় জুনিয়র মিটে একবার বাংলা দশটা বিভাগের দশটাতেই সোনা পেয়েছিল । যা জাতীয় মিটের সর্বকালের সেরা রেকর্ড । গত ৮ ফেব্রুয়ারি ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও উপস্থিত ছিলেন, সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিওএ-র কার্যালয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

–

–

–

–

–


