ভোটের মুখে তৃণমূলে (TMC) প্রত্যাবর্তন দীপেন্দু বিশ্বাসের(Dipendu Biswas)। রবিবার বসিরহাটে দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন ফুটবলার। ভোটের মুখে বসিরহাটে আরও শক্তি বাড়িয়ে নিল শাসক দল।

দীপেন্দুর (Dipendu Biswas)কাছে রাজনীতি নতুন নয়। এর আগে ২০১৪ সাল থেকেই রাজনীতি করছেন প্রাক্তন এই ফুটবলার। ২০১৪ সালে তৃণমূলের প্রতীকে ভোটে লড়েন এবং পরাজিত হন। এরপর ২০১৬-তে ওই বিধানসভা থেকেই ভোট জিতে বিধায়ক হন। তবে ২০২১ সালে দীপেন্দুকে দল টিকিট দেয়নি। দল বদল করেন, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে। যদিও বিজেপির সঙ্গে দীপেন্দুর সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। মাত্র এক বছরের মাথায় পদ্ম শিবির ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।

২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে, ফের ফিরলেন তৃণমূলেই। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে রবিবার বসিরহাট জেলা দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপেন্দু। যদিও শেষ কয়েক বছর ধরেই শাসক দলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিটিং মিছিলে তাঁকে দেখা গিয়েছিল।

তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিশ্ব বাংলা সংবাদকে ফোনে দীপেন্দু বলেন, আমি এর আগেও তৃণমূলের বিধায়ক ছিলাম সেই সময় বসিরহাটের উন্নয়ন কী হয়েছিল সবাই জানে। আমাদের লক্ষ্য সেই উন্নয়নের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ভোটে লড়ব কিনা সেটা নেতৃত্ব ঠিক করবে।

দীপেন্দু বিশ্বাসের সঙ্গেই এদিন তৃণমূলে যোগ দিলেন বসিরহাটের দাপুটে কংগ্রেস নেতা কাদের সরদার ও একসময় তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়া পার্থ সারথী বোস। আইএসএফ সহ আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিলেন বসিরহাট তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মুকাদ্দিম লিটনের নেতৃত্বে।

–

–

–

–

–
–

