মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ইন্দোর ও খরগোনের পর এবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামে বিষাক্ত পানীয় জলকাণ্ড (Andhra Pradesh Water Contamination) নিয়ে বিজেপি ও তাদের শরিক সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশে দূষিত জল পান করে এক জনের মৃত্যু হয়েছে, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অন্তত ৭০ জন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসে’র (All India Trinamool Congress) সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বিজেপি প্রত্যেক বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার নাম করে ‘জহের’ পৌঁছে দিচ্ছে বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় বিজ্ঞাপনী প্রচারে জোর দেওয়া হলেও পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে পারছে না তথাকথিত ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার।

শ্রীকাকুলামের দাম্মালা ভিড়ি এলাকায় জল পান করার পরই বাসিন্দাদের মধ্যে পেটব্যথা, বমি ও মাথা ঘোরার উপসর্গ দেখা দেয়। একের পর এক বাড়িতে অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্তদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পানীয় জলের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আপাতত ওই এলাকায় পাইপলাইনের জল সরবরাহ বন্ধ রেখে ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। প্রশাসনকে পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন: অভিষেকের নির্দেশে পাকিস্তানে আটক মৎস্যজীবীদের বাড়ি তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক

উল্লেখ্য, গত মাসেই মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর ও খরগোনে দূষিত জল পান করে শতাধিক মানুষ অসুস্থ হন। ইন্দোরে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন দু’শো জনেরও বেশি বাসিন্দা। ইন্দোরের ভগীরথপুরার ঘটনাতে জানা গিয়েছে, জলের পাইপলাইনে ফাটল থাকায় সেখান দিয়ে শৌচাগারের জল মিশে গিয়েছিল। আর তার জেরেই এই দুর্ঘটনা বলে অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে শ্রীকাকুলামের নতুন ঘটনা ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে প্রশাসনিক গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে একের পর এক রাজ্যে এমন ঘটনা সামনে আসায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

–

–

–

–

–

–



