ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনি-সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন বহু মানুষ। পাকিস্তানে করাচি-সহ একাধিক জায়গায় হিংসার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং ১২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। রবিবার বিক্ষোভকারীরা একটি মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা চালায় এবং সেখানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমতাবস্থায় আগেভাগেই সতর্ক হল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। কলকাতার মার্কিন কনস্যুলেটের (US Consulate) নিরাপত্তা বাড়াল লালবাজার। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এই নিয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন।

নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে মার্কিন কনস্যুলেটের (US Consulate) নিরাপত্তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। যথেষ্ট পরিমান র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতায় মার্কিন দূতাবাসটি শেক্সপিয়ার সরণি থানা এলাকায় থাকায় সংশ্লিষ্ট থানাকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, খামেইনির মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার SUCI ধর্মতলা থেকে মার্কিন কনস্যুলেট পর্যন্ত মিছিল করে। কিন্তু, গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই সেই মিছিল আটকে দেওয়া হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। এরপরেই যেকোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লালবাজারের তরফে বাড়ানো হয়েছে মার্কিন কনস্যুলেটের নিরাপত্তা।

–

–

–

–

–

–

–



