বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর আগ্রাসী নীতিতে চাপে অসম কংগ্রেস। একদিকে সাংসদ তথা অসম কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গোগোইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে কংগ্রেসকে চাপে রেখেছে হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sharma) প্রশাসন। অন্যদিকে, বামেদের সঙ্গে জোট করে যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ভুগেছে কংগ্রেস, একই পরিস্থিতি অসম কংগ্রেসেরও (Assam Congress)। তবে এবার বিরোধী ভোট টানতে হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে (JMM) সঙ্গে নিয়ে চলার নীতি কংগ্রেসের। সেই সঙ্গে অনেকটাই নির্ভর করতে হচ্ছে অসম গণ পরিষদের (AGP) উপরও।

অসমে অনেক আগে থেকেই আসন সমঝোতা শুরু করেছে কংগ্রেস। সেই লক্ষ্যে বাম দল সিপিআইএম ও সিপিআই-এর সঙ্গে আসন রফা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলেই দাবি অসম কংগ্রেসের। তবে ২০২১ নির্বাচনে সিপিআই-এর সঙ্গে জোট করায় কংগ্রেস কর্মীরাও ভোট প্রচারে পিছিয়ে গিয়েছিল বলে কংগ্রেসের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। ফলে এখনও পর্যন্ত ১২৬ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে ১৫টি আসন বাম জোটের জন্য ছাড়া হয়েছে।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির তরফ থেকে আগেই অসমের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানে জোরহাট থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল গৌরব গোগোইকে (Gaurav Gogoi)। রবিবার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আরও ২৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। সেক্ষেত্রে ১২৬ আসনের মধ্যে ৬৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গেল কংগ্রেসের।

আরও পড়ুন : তামিলনাড়ুর লড়াই দ্বিমুখী! ভোট ঘোষণার দিন বিজয়কে CBI তলব, চাপের কৌশল বিজেপির

অসমে বারবার প্রচারে গিয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চালিয়েছেন অমিত শাহ থেকে হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই সূত্রে অসমের জনজাতি গোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। সেই ভোট ব্যাঙ্কে ভাগ বসাতে এবার নতুন পথে কংগ্রেস জোট (Congress alliance)। প্রথমবার অসমে বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে চলেছে হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)। অসমের জনজাতির ভোটারদের টানার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ। হেমন্ত নিজেই লড়াইয়ের আবেদন নিয়ে যান কংগ্রেস ও অসম গণ পরিষদের কাছে। প্রাথমিকভাবে ৩১ আসনে জেএমএম-এর লড়াইয়ের কথা হয়েছে জোটের আলোচনায়।

–

–

–

–

–

