রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election Date) নির্ঘণ্টও প্রকাশিত হয়েছে। এবার প্রার্থীদের নাম প্রকাশ্যে আসার পালা। মঙ্গলবার বিকেলে তৃণমূল ভবন থেকে ২৯৪ আসনের ঘাসফুল প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশিত হবে। তার আগে এদিন সকালে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya) ও সাংসদ পার্থ ভৌমিকের (Partha Bhowmik) হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশংকর পাল (Shiv Shankar Paul), সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পরিচিত মুখ শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা (Tanushree Hansda)ও ইসলামিক স্কলার আব্দুল মাতিন (Abdul Matin)। এর পাশাপাশি এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই একাধিক বিশিষ্টরা তৃণমূলে যোগদান করেছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আজকে যাঁরা জোড়া ফুলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তাঁরা কি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাচ্ছেন? উত্তর মিলবে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।


এদিনের যোগদান পর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। আর তার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই জোড়াফুলের সঙ্গী হতে চাইছেন সব সম্প্রদায়ের নানা পেশার মানুষেরা। তালিকায় সেলিব্রেটি থেকে সামাজিক নেতা সকলেই থাকছেন। এদিন যোগদান পর্বের মাঝেই উঠে আসে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার প্রসঙ্গ।সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রসঙ্গে ব্যারাকপুর সাংসদ পার্থ ভৌমিক লোডশেডিং নেতাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রে প্রার্থী করার জন্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ‘কৃতজ্ঞতা’ জানিয়ে বলেন, “লোডশেডিংয়ে জেতা একটা লোক সবসময় বলত আমি মমতাকে হারিয়েছি। এই কথা যাতে আর বলতে না পারে তাই শমীক ভট্টাচার্য তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করেছে। তাঁকে যাতে লোকের মুখে শুনতে হয় আপনি এক লক্ষের বেশি ভোটে হেরেছেন।” নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর- দুই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার জন্য শুভেন্দু ভয় পেয়েছেন বলেও কটাক্ষ করেন পার্থ। রাজ্যের মন্ত্রী এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে নির্বাচন কমিশন এবং এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুর চড়ান। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল- দু’দফায় ভোট হবে বাংলায়। ফলপ্রকাশ আগামী ৪ মে।

–

–

–

–

–

–

–

–
