পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে ব্যাপক ক্ষয় করলেও সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের যে বড় ক্ষতি হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। এই তালিকায় নতুন সংযোজন ইরানের (Iran) নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি। তবে এই ক্ষতির পরেও কোনওভাবেই হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে রাজি নয় ইরান। অন্যদিকে হরমুজ নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে বড়সড় হামলার যে পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) করেছেন তাতে তাঁর পাশে দাঁড়ালো না ইউরোপের কোনও দেশ।

মঙ্গলবার ইজরায়েলের একটি জোরালো হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান (security chief) আলি লারিজানির মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছিল। পরে সেই খবরে সিলমোহর দেয় ইরান প্রশাসনিক প্রধান সংবাদ মাধ্যম। তবে এই ঘোষণার পাশাপাশি ইসরায়েলের উপর হামলা জোরালো করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই ইজরায়েলের (Israel) উপর টানা ৬১টি মিসাইল বর্ষণের ভিডিও-ও প্রকাশ করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে জ্বালানি সংকট মেটাতে মূলত এশিয়ার কয়েকটি দেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যবহারে অলিখিত ছাড়পত্র দিয়েছে ইরান। তার মধ্যে যেমন রয়েছে রাশিয়া, চিন, তেমনই রয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। তবে যুদ্ধ মিটলেও কোনওভাবেই যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালীতে যে শান্তি বজায় ছিল এবং দেশগুলির মধ্যে প্রণালী (Strait of Hormuz) ব্যবহারে যে স্থিতিশীলতা ছিল, তা আর বজায় থাকবে না, এমন বার্তা দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী সন্ত্রাসবাদ-মুক্ত করতে ডাক দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

আরও পড়ুন : শিশু হত্যাকারী নেতানিয়াহু: ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ‘শপথ’ ইরানের

যদিও মঙ্গলবার অত্যন্ত হতাশার সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে যুদ্ধের যে পরিস্থিতি ঘোরালো করতে চেয়েছিলেন তিনি তাতে সায় দেয়নি ন্যাটের (NATO) অন্তর্ভুক্ত ইউরোপের দেশগুলি। ফলে ক্ষোভের সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউরোপের যে দেশগুলিকে নিরাপত্তা দিতে আমেরিকা বিপুল খরচ করে, তারা আমেরিকার প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ালো না। যদিও তাতে আমেরিকা থেমে থাকবে না।

–

–

–

–

–
