রাজ্যের ক্ষমতায় থাকার আগে থেকেই রাজ্যের মানুষের জন্য দিল্লি থেকে পরিষেবার কাজ করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সুফল যাতে বাংলার মানুষ না পায় তা বারবার বন্ধ করার চেষ্টা করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া (Panskura) থেকে সেই খতিয়ান পেশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সঙ্গে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Masterplan) নিয়ে কীভাবে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষকে বঞ্চিত করেছে দিল্লি, তারও তথ্য পেশ করলেন তিনি।

দুই দফায় দেশের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার জন্য একাধিক ট্রেনের ব্যবস্থা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই উপকৃতদের মধ্যে ছিলেন পাঁশকুড়ার মানুষ। সেই তথ্য তুলে ধরে মমতা জানান, পাঁশকুড়া ও আশেপাশের অঞ্চলে প্রচুর ফুল চাষ হয়। এখানে অনেক ফুলচাষিরা আছেন। এবং তাঁদের জন্য আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন যেমন দিঘা-তমলুক করেছিলাম, যেমন জগন্নাথধাম করেছি, তেমনই আমি বিশেষ ট্রেনের (special train) ব্যবস্থা করেছিলাম। পান চাষি ও ফুলচাষিদের (flower farmers) জন্য। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেটা বন্ধ করে দিয়েছে।

সেই সঙ্গে ফুলচাষিদের (flower farmers) জন্য সরকারি প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূল নেত্রী পেশ করেন, ফুলচাষের উন্নয়নের জন্য আমরা অনেক পরিকল্পনাও করেছিলাম। রূপায়নও করেছি। কোল্ড স্টোরেজ থেকে শুরু করে, উন্নতমানের বীজ এবং কৃষির যন্ত্রপাতি সরবরাহ। ফুল রফতানির জন্য প্যাকেজিং, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন : টিকিট পাননি বলে এটা নয় যে বিরোধিতা করবেন: কর্মীদের সতর্ক করলেন মমতা

যেখানে রাজ্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পাঁশকুড়া, সংলগ্ন এলাকা ও স্থানীয় মানুষের জন্য লাগাতার উন্নয়ন করেছে সেখানে মুখ ফিরিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Masterplan) নিয়ে বঞ্চনার সেই খতিয়ান পেশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দীর্ঘদিন দিল্লির জমিদারদের কাছে আমরা আবেদন জানিয়েছি যে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানটা করে দিন। প্রতি বছর মানুষ বন্যায় ভাসে। আমি তো প্রতিবার ছুটে আসি। আমার দেখার সুযোগ হয়। আমি জানি মানুষ কত কষ্টে থাকে। এতদিন বলা সত্ত্বেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কেন্দ্রীয় সরকার কিন্তু করে দেয়নি। আমরা আমাদের রাজ্য সরকার থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। পরিকল্পনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবং এটা রূপায়িত হলে আপনাদের পাঁশকুড়ার এলাকা উপকৃত হবে।

–

–

–

–

–
