ভোটের মুখে ফের শিরোনামে বনগাঁর তনয় শাস্ত্রী (Tanay Shastri)। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে (Mimi Chakraborty) মঞ্চ থেকে অপমান করে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সেই জ্যোতিষী যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। হাবড়ার একটি অনুষ্ঠানেই পদ্মপ্রার্থী দেবদাস মণ্ডলের হাত থেকে দলীয় পতাকা নেন তিনি। তনয় সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত হতেই ফিরেছে মিমি কাণ্ডের প্রসঙ্গ। সবটাই তাহলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তীব্র কটাক্ষ ধেয়ে এসেছে রাজ্যের শাসক দলের (TMC) তরফ থেকে।

মাসখানেক আগে বনগাঁ নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী মিমিকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন তনয়। হেনস্থা করা হয় প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা নায়িকাকে। ঘটনার জল গড়ায় থানা পর্যন্ত। অভিযোগ দায়ের করেন মিমি, হাজতবাসও করতে হয় তনয়কে। হুমকি দেন, শেষ দেখে ছাড়বেন। এসবের মাঝেই বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন তনয়। তৃণমূল বলছে এটাই তাহলে আসল পরিকল্পনা ছিল। তাহলে কি পদ্ম শিবিরে যোগদানের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ টার্গেট করেছিলেন তনয়? অভিযুক্ত শাস্ত্রী খোলাখুলি জানিয়েছেন রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে তৃণমূলকে পাল্টা জবাব দিতে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বিতর্কের কথা মাথায় রেখে সাফাইও গেয়ে রেখেছেন চর্চিত জ্যোতিষী। জানিয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) কর্মকাণ্ডে তিনি অনুপ্রাণিত, তাই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সেটা অন্যতম কারণও বটে। এরপরই তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল (TMC)। অভিনেত্রীকে হেনস্থা করা যে পুরোপুরি পরিকল্পনা মাফিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই ঘটনার পরে তা সহজেই অনুমেয়। মিমি অবশ্য এই ঘটনায় কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

কিছুদিন আগেই নিজেকে তথাকথিত নিরপেক্ষ সাংবাদিক তথা ইউটিউবার দাবি করা মানব গুহকে দেখা যায় পূর্ব বর্ধমানের মেমারি কেন্দ্রের জন্য আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে টিকিট পেতে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর করে গেরুয়া দলের নেক নজরে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই সময় নিজেকে সৎ – নিরপেক্ষ বলে যতই ঢাক পেতাম না কেন, এটা একেবারেই স্পষ্ট যে সবটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছিল। অনেকটা সেই স্টাইলেই বিজেপির খাতায় নাম তুললেন বিতর্কিত তনয় শাস্ত্রী।

–

–

–

–

–

–
–

