“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মোদি”! শুক্রবার দলীয় প্রার্থীর প্রচারে ডোমজুড় থেকে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নৌকাবিহারকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মোদি ও শাহকে মাথা ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিয়ে এদিন তিনি বলেন, ”শুধু ভোটের সময় নয়, সারাবছর বাংলাতে আসুন। সারাবছর বাংলাতে এসে ফুচকা খান, ঝালমুড়ি খান। বাংলার কচুরি, সিঙারা, জিলিপি খান। কারও কোনো সমস্যা নেই। এখানে এসে দেখুন বাংলাটা কত সুন্দর। প্রধানমন্ত্রী এসে ঘুরে ঘুরে না দেখালে মানুষ জানতে পারত? মোদি হলেন বাংলার সরকারের পর্যটনে (Tourism) সব থেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। এভাবে না ঘুরে দেখালে বাংলার গঙ্গা কত সুন্দর, ঝাড়গ্রামের রাস্তা কত সুন্দর বোঝা যেত?”

এদিন ডোমজুড়ে নির্বাচনী জনসভা থেকেই বিজেপিকে তুলোধনা করেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের পচা আলু তকমা দিয়ে তিনি বলেন, ”এবার বিজেপি তাঁদের প্রার্থী করেছে যাদের তৃণমূল ছুড়ে আবর্জনায় ফেলে দিয়েছে। ওরা সব পচা আলু। পচা আলু বাড়িতে রাখবেন কেন? এখানে যেসব প্রার্থী বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা এক্সপায়ারড প্রডাক্ট। তৃণমূল যাদের আবর্জনায় ফেলছে তাঁদের মোদি–শাহ তুলে নিয়ে গিয়ে মাথায় বসাচ্ছে। আর তৃণমূল যাঁদের প্রার্থী করেছে তাঁদের ব্যাকগ্রাউন্ড দেখুন। এঁরা সবাই জিতে এলাকার সর্বক্ষণের কর্মী হিসাবে কাজ করবেন। তাই তৃণমূল প্রার্থীদের জেতান।”
ঝাড়গ্রামে মোদির মুড়ি খাওয়া নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ”আর যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোদি মুড়ি খাচ্ছেন,সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের তৈরি। মুড়ি বিক্রেতা বিহারের বাসিন্দা। সেখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার হওয়ার পরেও তাঁকে বাংলাতে আসতে হচ্ছে পেটের দায়ে। নিজেরাই নিজেদের রূপ দেখিয়ে দিচ্ছে। খুনি-ধর্ষকরা আগে জেলে যেত, এখন বিজেপিতে যায়। চুরি করে ধরা পড়ার ভয়ে বিজেপিতে যায়। যে উন্নয়ন শুরু হয়েছে, সেটা বাড়বে কমবে না।”

–

–

–

–

–
–
–
