Saturday, June 27, 2026

ভোটের পরে দুমাস রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী: হারের আশঙ্কায় ঘোষণা শাহর!

Date:

Share post:

রাজ্যের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বকেয়া টাকা – কোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের মানুষের স্বার্থে এগিয়ে আসতে দেখা যায় না কেন্দ্রের মোদি সরকারকে। নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচনের (assembly election) পরের দুমাসের জন্য এই রাজ্যে কি হবে, তা নিয়ে আগাম ঘোষণা করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ক্ষমতায় না এসেই রাজ্যে দুমাসের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

৪ মে গণনা মিটে যাওয়ার পরেও অন্তত ৬০ দিন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বাংলায়, জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election) শেষের পরেও বেশ কিছু দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যে মোতায়েন রাখা হয়েছিল। কিন্তু এবার সে সময়সীমা নির্দিষ্টভাবে বেড়ে দু’মাস হচ্ছে বলে শাহের ঘোষণা। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে তথা আইনশৃঙ্খলা বহাল রাখতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ৬০ দিন বাংলায় রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

গত ৬০ ঘণ্টায় নানা অভিযোগে গ্রেফতার ২,৪৭৩ জন, জানিয়েছে কমিশন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে বাহিনী মোতায়েন রাখার সময়সীমা বাড়িয়ে নিয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এবার নির্বাচনেই রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী বাংলায়। তবে নির্বাচন পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার সময়সীমার বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ আসেনি। অন্যদিকে শাহ প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ঘোষণা করার পরে নির্বাচন কমিশনও (ECI) তার বিরোধিতা করেনি। কিন্তু ভোটে যদি তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরে, তা হলে বাহিনী মোতায়েন রাখার এই ঘোষণা ঘিরে টানাপোড়েন শুরু হতে পারে। আইন শৃঙ্খলা যেহেতু রাজ্যের বিষয়, তৃণমূলের সরকার গঠিত হলে তারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতার পথেই যাবে।

আরও পড়ুন : এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা: আইপিএস অজয় পাল শর্মার জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ দাবি

নির্বাচন পরবর্তী হিংসা রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দুমাস রেখে দেওয়ার ভাবনা সম্পর্কে অনেকেরই আপত্তি নেই। কিন্তু প্রশ্নও উঠছে, বিজেপি যদি জয়ের বিষয়ে ‘আত্মবিশ্বাসী’ হয়, তা হলে ভোটের পরেও বাহিনী কেন? জয়ের বিষয়ে যদি বিজেপি নিশ্চিত হয় তবে ৪ মে ফল ঘোষণার পরে রাজ্যের পুলিশও বিজেপির নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। সে ক্ষেত্রে পুলিশকে (state police) দিয়েই তো হিংসা ঠেকিয়ে দেওয়া সম্ভব। কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) প্রয়োজন পড়বে কেন? সেখানেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তবে কি হারের ভয়ে আগেই এই প্রস্তুতি?

Related articles

একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে তৃণমূল কর্মীদের উন্মাদনা হুগলিতে

একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে নব উন্মাদনা। কর্মীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ। যারা চলে গিয়েছে, তাদের তোয়াক্কা না করে মমতা...

শোয়েবের দাদার শেষকৃত্যে পহেলগাম-হানার অভিযুক্তরা! তুঙ্গে বিতর্ক

ভারতের মাটিতে পহেলগাম জঙ্গি হামলার মূলচক্রী এবার প্রকাশ্য দিবালোকে, খোদ পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতারের পারিবারিক শোকানুষ্ঠানে! রাওয়ালপিন্ডি...

একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে রাজ্য জুড়ে প্রচার, ময়দানে তৃণমূলের আইটি সেল

একুশে জুলাইকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে নামল তৃণমূলের আইটি সেল। শনিবার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে আইটি সেলের উদ্যোগে...

আইনজীবীদের সঙ্গে ‘দুর্ব্যবহার’, কাঠগড়ায় বিজেপি বিধায়ক

কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) ফুড কোর্টে আইনজীবীদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠল বিজেপি (BJP MLA Druba Saha)...