২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় বিজেপি (BJP West Bengal)। সোমবার নির্বাচনী ফলাফল (Election Result) সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিজেপির মাত্রাছাড়া উল্লাস। কিন্তু এই উল্লাসের সঙ্গে বেশ কিছু জায়গাতে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও হামলার অভিযোগ উঠতেই তড়িঘড়ি ময়দানে নামলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিজয়োল্লাসের নামে কোনো প্রকার হিংসা বা দাদাগিরি বরদাস্ত করা হবে না। শমিক জানিয়েছেন, “বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও যদি কোনও হিংসা চলে, কোনও তৃণমূল অফিসারের উপর আক্রমণ হয়, মুখ্যমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের প্রতি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যদি কদর্য ভাষা ব্যবহার করা হয় তাঁকে দল থেকে বার করে দেওয়া হবে।” আরও পড়ুন: দায় ঘাড়ে নিয়ে তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়কের

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে শমীক বলেন, “এটা প্রশাসনকে দেখতে হবে বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে বা কেউ যদি কোনও অটোস্ট্যান্ড, কোনও টোটোস্ট্যান্ড বা কোনও কারখানা মালিকের থেকে যদি থাকা পয়সা নিতে চায় তাহলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন। তাঁকে গ্রেফতার করবেন। কোনও রং দেখে কাজ করবেন না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, গত কয়েক বছরে ভোট-পরবর্তী হিংসায় বাংলার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। জয়ের পর তা দূর করাই এখন বিজেপির প্রধান চ্যালেঞ্জ। শমীক ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন যে, ক্ষমতার পরিবর্তনের সাথে সাথে রাজ্যে ‘বদল নয়, বদলানো’তে বদ্ধপরিকর তাঁর দল।
সোমবার সন্ধে থেকেই বারবার তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল, দিকে দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস কার্যালয় ভাঙচুর করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালেও শ্যামপুকুরে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের হামলার ভিডিও পোস্ট করেন প্রাক্তন মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja)। অন্যদিকে, বেলেঘাটার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি পবিত্র বিশ্বাসের উপরেও হামলার ভিডিও সামনে এসেছে। এই নিয়ে এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমার কাছে খবর এসেছে। যারা একাজ করেছে তাঁরা বিজেপির কেউ নয়। বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে করেছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি। কেউ যুক্ত থাকলে দল থেকে বাদ দেওয়া হবে।”

–

–

–

–

–
–
–
