ভোট-পরবর্তী অশান্তিতে মোট ২০০টি এফআইআর (FIR) হয়েছে। তার জেরে ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার ও কমপক্ষে ১১০০ জনকে আটক করা হয়েছে। বুলডোজার নিয়ে কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। লালবাজারের পরে এবার কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি (DGP) সিদ্ধনাথ গুপ্ত (Siddhinath Gupta)।

রাজ্যে পালাবদলের পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির ঘটনার খবর আসছে। এই নিয়ে বুধবার বিকেলে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানীভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি জানান, গত দুদিনে বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে অশান্তির খবর মিলেছে। তবে বুধবার সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত। কোনও গোলমালের খবর পাওয়া যায়নি। ভোট-পরবর্তী সময়ে মোট ২০০টি এফআইআর হয়েছে বলে জানান ডিজি। তার জেরে ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ১১০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের প্রধান জানান, নিয়ম অনুযায়ী মমতা ও অভিষেকের যে নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তাঁরা সেটা পাচ্ছেন। তবে, এর বাইরেও তাঁদের জন্য অতিরিক্ত কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। সেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আইন নিজেদের হাতে না তুলে নেওয়ার জন্য রাজ্যবাসীকে অনুরোধ করেছেন সিদ্ধনাথ (Siddhinath Gupta)। তিনি বলেন, “কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে, সেটি থানায় জানান। আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।”

কেন্দ্রীয় বাহিনী সব জায়গায় পর্যাপ্ত সাহায্য করছে বলে জানান রাজ্যের ডিজিপি। রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি সামলানোর জন্য রয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য রাজ্য স্তরে যৌথ কন্ট্রোল রুম চালু হয়েছে। জেলা স্তরেও এমন যৌথ কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিদ্ধিনাথ।

–

–

–
–
–
