বাংলায় গঠিত নতুন রাজ্য সরকার প্রতিদিন এক একটি দফতর নিয়ে তৎপরতার সঙ্গে সমস্যার সমাধান ও নতুন নীতি নির্ধারণের কাজ করছে। এবার তৎপরতা রাজ্যের শিক্ষা দফতর নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিকাশ ভবনে (Bikash Bhavan) গিয়ে শিক্ষা দফতরের (Education department) প্রথম বৈঠক করে দিলেও বাস্তবে মাঠে নেমে সমস্যার সমাধান সেভাবে দেখা যায়নি। সোমবার থেকে সেই কাজ শুরু করলেন বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta) ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)।
গত সপ্তাহে প্রথম বিকাশ ভবনে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) শুভেন্দু অধিকারী। এরপর বিকাশ ভবনে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। তবে দফতরের সব শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে প্রথমবার বিস্তারিত বৈঠকে দুই বিধায়ক। কেন্দ্র সরকারের জাতীয় শিক্ষা নীতিকে কীভাবে রাজ্যে লাগু করে এগিয়ে চলা হবে, তা নিয়ে নীতি নির্ধারণের (policy making) কাজ হয়। দুই বিধায়ক ছাড়াও রাজ্যের প্রায় ১৭ বিধায়ক এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে সূত্রের খবর।

বৈঠক শেষে বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত জানান, এই দফতরের বিরাট একটি দায়িত্ব রয়েছে। স্কুল শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা দুই ক্ষেত্রেই বিধায়করা অনেক ত্রুটির কথা তুলে ধরেছেন। সেগুলি মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) কাছে রাখা হবে। তা নিয়ে নীতির কথা ঘোষণা করা হবে। উচ্চশিক্ষার সমস্যা নিয়েও আমরা জ্ঞাত। আগামীতে উচ্চ শিক্ষার গৌরবকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করা হবে। সব বিধায়ক সরকার ও দলকে একইভাবে সহযোগিতা করবেন।

আরও পড়ুন : প্রথমবার জনতার দরবার: নতুন প্রজন্মের কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের লক্ষ্যের বিষয়ে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানান, শিক্ষক, ছাত্র ও সমাজের কাছে যে দায়বদ্ধতা রয়েছে তাকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে দফতরের সব স্তরের সহযোগিতা চাইছি। শিক্ষাক্ষেত্রে যে পরিস্থিতি তার জন্য শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের – প্রাথমিক স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও আধিকারিকদের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে চলা হবে। আগামী দিনে নীতি নির্ধারণ হবে সেই পরামর্শ মেনেই।

–

–

–
–
–
