রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ। ক্রীড়া ক্ষেত্রকে (Sports sector)রাজনীতির(Politics) প্রভাব মুক্ত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার প্রয়াত টুটু বোসের স্মরণ সভা থেকেই রাজনীতি মুক্ত খেলার মাঠ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করলেন মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ থেকে প্রাক্তন ফুটবলাররা।

সদ্য শপথ নেওয়া মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানালেন, আমি বাঙাল হয়ে মোহনবাগান সমর্থক। উত্তর কলকাতায় যারা জন্মেছে সবাই মোহনবাগান। এই ক্লাব গুলোকে আগামী দিনে এগোতে গেলে রাজনীতিকরন করলে হবে না। আগামী দিনে টুটু বোসের মতো মানুষদের সামনে এগিয়ে দেব আমরা ক্রীড়া ক্ষেত্রে।

তাঁর কথার সুর ধরেই ক্রীড়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই কথা বলে আসছি। আগামী দিনে সেটা বাস্তবায়ন হবে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে রাজনীতির প্রবেশ আটকাতে পেরেছিলেন। আগামী দিনে তাঁর আদর্শ কে সামনে রেখে খেলার মাঠকে রাজনীতি মুক্ত করব।

মন্ত্রী তাপস রায় থেকে অশোক দিন্দা সবার কথায় উঠে আসে রাজনীতি মুক্ত ময়দানের কথা। দিন্দা নিজে প্রাক্তন ক্রিকেটার। তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই বলে আসছি খেলার মাঠে রাজনীতিকরন হবে না। আমাদের লক্ষ্য সেটা করা।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, খেলার মাঠে রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত নয়। একই সুরে কথা বলেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য।

এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণে চৌবে বলেন, রাজনীতিবিদদের প্রভাব মুক্ত হওয়া উচিত ময়দান।।

প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য্য থেকে অলোক মুখোপাধ্যায় প্রত্যেকেই বলেন এটা অত্যন্ত কাম্য। সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, যারা এই মুহূর্তে পদে বসে আছেন সেই সব রাজনীতিবিদদের অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া উচিত। তবে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ বার্তা দেবব্রত সরকার মনে করেন খেলার মাঠ কে পুরোপুরি রাজনৈতিক মুক্ত করা সম্ভব নয়। তার কথায়, খেলার মাঠ রাজনীতিমুক্ত হবে না আমরা চাই রাজনীতির সৌন্দর্যায়ন হোক।

–
–
–
–
