সোমবার নেতাজি ইন্টার স্টেডিয়ামে প্রয়াত টুটু বোসের (Tutu Bose) স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হলো।এই সভায় উপস্থিত ছিলেন মাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতি মানুষরা। প্রয়াত সভাপতিকে অনন্য সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মোহনবাগান। বর্তমান সভাপতি দেবাশিস দত্ত প্রস্তাব দিয়েছেন টুটু বোসের(Tutu Bose) যে মেম্বারশিপ কার্ড সেই কার্ডের নম্বরটি চিরতরে রিজার্ভ করে রাখার।

ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, টুটু বোসের(Tutu Bose) মেম্বারশিপ নম্বর রিজার্ভ করে রাখা হবে। আবার যখন টুটু দা জন্মাবেন তাঁকেই দেওয়া হবে। টুটু বোসের জন্ম ২৩ জানুয়ারি, মোহনবাগান ক্লাবের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস। টুটু দা আমাকে ক্লাবে হাত ধরে এনেছিলেন, আমার দাদার মতো ছিলেন, আমরা পার্টনার ইন ক্রাইম। মাঝে মধ্যে সমস্যা হয়েছে। আমার মিলে মিশে চলেছি। টুটু দা মরে যেতে পারেন না। ছিলেন আছেন থাকবেন। আজকে যা ব্যবস্থা দেখছেন সব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সচিব সৃঞ্জয় বোস উল্লেখ করেন, বাবা আমাকে মোহনবাগান ক্লাবে এনেছেন। মোহনবাগান ক্লাবের প্রশাসনে আনেন। শেষ যাত্রায় যেভাবে সবাইকে পেয়েছিলেন সেটাই মোহনবাগানের সার্থকতা। যেভাবে মোহনবাগানকে দেখতে চেয়েছিলেন সেভাবে আছে মোহনবাগান।

মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানালেন, আমি বাঙাল হয়ে মোহনবাগান সমর্থক। উত্তর কলকাতায় যারা জন্মেছে সবাই মোহনবাগান। এই ক্লাব গুলোকে আগামী দিনে এগোতে গেলে রাজনীতিকরন করলে হবে না না। আগামী দিনে টুটু বোসের মতো মানুষকে সামনে এগিয়ে দেব। মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, টুটু দা খেতে ভালোবাসতেন খাওয়াতেন। আমাদের গুরুত্ব কম দিতেন তাই রাগ হত। খুব আড্ডাবাজ ছিলেন । মন খোলা মানুষ ছিলেন।।

প্রবীণ বাম নেতা বিমান বসু কথায়, রাজনীতির চোখ দিয়ে সব দেখত না। গণশক্তি ভবনে সব নিয়ে আলোচনা হত। সব নিয়ে আলোচনা হত। দেশ বিদেশ নিয়ে আলোচনা হত।

স্মরণ সভা ছিল এক কথায় চাঁদের হাঁট। ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে থেকে উপস্থিত ছিলেন সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, ব্যারেটো, বিদেশ বসু, শিশির ঘোষরা। মুনমুন সেন-রাইমা সেনদের মতো সেলেবরাও এদিন টুটুবাবুর স্মরণসভায় উপস্থিত হন।ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, মন্ত্রী তাপস রায়, স্বপন দাশগুপ্ত, অশোক দিন্দা, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, তৃণমূল নেতা সমীর চক্রবর্তী, প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। সংগীত পরিবেশন করেন সত্যজিত দাস এবং লোপামুদ্রা মিত্র।

–

–
–
–
–
