পায়ে পায়ে মাঠের লড়াই ধীরে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে উন্মাদনা চোখে পড়েছে তার কতটা বাস্তবে ধরা পড়ছে স্টেডিয়ামে? ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA Football WC) শুরু হতেই এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে ক্রীড়াপ্রেমী থেকে সমালোচক তথা ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মনে। ভারতীয় সময় অনুসারে ১২ জুন মধ্যরাত থেকে বিশ্বকাপের লড়াই শুরু হয়েছে। প্রথম থেকেই টিকিটের চড়া দাম নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে আয়োজক সংস্থাকে। এবার প্রতিযোগিতার প্রথম থেকেই দেখা গেল গ্যালারিতে অর্ধেকের বেশি আসন ফাঁকা! সত্যিই কি খেলার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন দর্শক নাকি অন্য কিছু? অস্বস্তি ঢাকতে ব্যাখ্যা দিল FIFA।

৪৮ দেশকে নিয়ে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার (Football world cup 2026) আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিন দক্ষিণ কোরিয়া-চেকিয়া ম্যাচে গ্যালারির প্রায় অর্ধেক ফাঁকা ছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও কার্যত একই দৃশ্য চোখে পড়ল। সাধারণত ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা শুরু হয়ে যায় টিকিট বিক্রির ঘোষণা থেকেই। চার বছর অপেক্ষার অবসানে ফ্যানেরা টিকিট কাটতে চান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিরাশ হতে হয় তাঁদের। এবারেও শুরু থেকে ফিফা দাবি করেছিল রেকর্ড টিকিট বিক্রি হয়েছে। কিন্তু বাস্তব ছবি কি তেমনটা বলছে? বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার অবশ্য দাবি, ‘‘কত মানুষ এসেছেন, তা নির্দিষ্ট ভাবে বোঝা যায় টিকিট স্ক্যানের সংখ্যা থেকে। সেটাই উপস্থিতির সংখ্যা। গ্যালারিতে কত জন বসেছিলেন, তা দেখে বোঝা যায় না। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফিফার প্রতিনিধিরা যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন। কত টিকিট বিক্রি হয়েছিল এবং কত জন স্ক্যান করিয়েছেন তা দেখলেই বোঝা যাবে।’’

–

–

–

–

–

–
