ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এবার নেপালে সেই রৌশনের ভাই প্রিন্সের দেহ উদ্ধার হয়। ফয়জল খান ওরফে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় প্রিন্সেরও নাম জড়ায় এবং রৌশন বর্তমানে জেলে। জানা যাচ্ছে, ৬ জন বন্ধুর সঙ্গে নেপালে ছিলেন প্রিন্স। সেখানেই গতকাল রাতে রহস্যজনক ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা মনে করছে মৃত্যুর সময়ে মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন প্রিন্স। তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচ বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: লক্ষ্য ভালো নজরদারি: কলকাতা পুলিশে এলাকাভিত্তিক রদবদল

প্রসঙ্গত, পাটনায় খান স্যার এবং আনন্দ স্যারের কোচিং সেন্টারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন নয়। আগেও একাধিক বার ঝামেলা হয় তাঁদের মধ্যে। ২০২১ সালেও খান স্যারের কোটিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় আনন্দ স্যারের কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠে। আশ্চর্যজনক ভাবে সেই সময়েও হামলার অভিযোগে নাম জড়ায় প্রিন্সের। কিন্তু আনন্দ স্যারের কোচিং সেন্টারের তরফেও খান স্যারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়। চলতি বছরের ২ জুন দুই কোচিং সেন্টার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। গুলিও চলে সেখানে। আনন্দ স্যার গ্রেফতার হয়েছেন। দুই নিরাপত্তারক্ষীকেও গ্রেফতার করা হয় এই ঘটনায়। এদিকে খান স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হলেও পরে তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত।

–

–

–

–

–

–
