কর্তব্যরত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর ও হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল বিজেপির (BJP Leader-Worker) নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট (Basirhat) থানা এলাকায়। আক্রান্ত ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম রকিবুল আলি গাজি। রকিবুলের অভিযোগ, সে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হওয়ার ফলে তাঁকে আরও বেশি করে হেনস্থা কড়া হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগের তির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর দিকে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে উল্টে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধেই দুর্ব্যবহারের পাল্টা অভিযোগ আনা হয়েছে। আরও পড়ুন: জনস্বার্থ না দ্বিচারিতা! যোগ দিবস উপলক্ষে ৭ দিন বন্ধ রেড রোড

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। সেদিন কাজেই ছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার রকিবুল। কাজের সূত্রেই বিজেপি নেতার গাড়ি থামান। তখন তাঁর সঙ্গে বিজেপি নেতাদের বচসা বাধে। কিছুখন বাদে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী-সমার্থক নিয়ে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের ওপর চড়াও হন এবং তাঁকে মারধর করা হয়। ঘটনার পর রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবশ্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ডিউটি করার সময় আচমকাই বিজেপি নেতারা চড়াও হন এবং মারধর করেন। আমি ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পুলিশ প্রশাসনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।”

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর খোদ মুখ্যমন্ত্রী যেখানে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, কোনো পুলিশ কর্মী বা আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সঙ্গে কোনো রকম খারাপ ব্যবহার বরদাস্ত করা হবে না, সেখানে খোদ শাসক দলের জেলা সভাপতির নাম জড়িয়ে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান মিলিয়ে নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

–

–

–

–

–
–
–
