Tuesday, April 28, 2026

২৯৪টি কেন্দ্রেই দলের বিধায়ক ও নেতাদের প্রচারে নামার নির্দেশ দিলেন অভিষেক

Date:

Share post:

করোনা ও আমফান নিয়ে বিজেপি-সহ বিরোধীদের বক্তব্যের জবাবি প্রচারে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই নেমে পড়তে দলের বিধায়ক ও পদাধিকারীদের নির্দেশ দিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ৫ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত রাজ্যের সব বিধানসভায় বিরোধীদের আক্রমণের জবাবে পাল্টা তথ্য-সহ প্রচারে নামতে হবে বিধায়কদের। জেলা সভাপতি এবং শাখা সংগঠনের প্রধানদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এই মুহূর্তের সংকটজনক পরিস্থিতিতেও বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক বঞ্চনা নিয়েও লাগাতার প্রচার চালাতে বলা হয়েছে নেতাদের।

অভিষেক বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন, মহামারি পরিস্থতিতেও কেন্দ্র যেভাবে রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারে ক্রমাগত হস্তক্ষেপ করে চলেছে, তা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী৷ এটিও হবে প্রচারের অন্যতম বিষয়বস্তু। আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই প্রচার কর্মসূচি নিয়ে নামতে বলা হয়েছে৷

যুব তৃণমূল সভাপতি বলেছেন,”দলের প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের এলাকায় আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। অন্যের এলাকায় কোনও বিধায়কের নাক গলানো চলবে না৷ দলের প্রত্যেক বিধায়ককে সাংবাদিক বৈঠক করতে হবে। যেখানে তৃণমূলের বিধায়ক নেই, সেখানে ব্লক সভাপতি, যুব ব্লক সভাপতিরা সাংবাদিক বৈঠক করবেন”৷

আগামী ৫ জুন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিধায়কদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করবেন। তার আগে জেলা সভাপতিদের মাধ্যমে দলের সব স্তরের নেতৃত্বকে জানিয়ে দেওয়া হল, সাধারণ মানুষের দুঃসময়ে নেতারা মানুষের সুখ-সুবিধা অবশ্যই দেখবেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাস ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা সভাপতি ও বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সভাপতিদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

ত্রাণবিলি নিয়েও দলের মনোভাব স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, “দলগতভাবে ত্রাণ বণ্টন নয়। আমফান- বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ বণ্টন চলবে সরকারি স্তরে। সরকারের কাজ সরকারই করবে৷ দলের কারও বিরুদ্ধে ত্রাণ নিয়ে কোনও অভিযোগ এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী তথা কলকাতা কর্পোরেশনের প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি ‘সেল’ গঠনের প্রস্তাব দেন। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এই প্রস্তাব খারিজ করে বলেন, করোনা ও আমফান-এর ফলে তৈরি হওয়া জরুরি অবস্থা নিয়ে দলের অনেকেরই অনেক পরামর্শ থাকতে পারে, তবে তা দলের ভিতরেই জানাতে হবে।

Related articles

অজয় ও বাহিনীর বিরুদ্ধে BJP-কে ভোট দিতে চাপ-শ্লীলতাহানির অভিযোগ ফলতা থানায়!

বিজেপির (BJP) অঙ্গুলিহেলনে চলছে নির্বাচন কমিশন- এই অভিযোগ শাসকদল-সহ অবিজেপি দলগুলির। সেই কমিশনের পাঠানো পুলিশ অবজার্ভার যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশের...

ভোট-উৎসবে DCRC-তে রঙিন সেলফি জোন! খুশি ভোটকর্মীরা

নির্বাচন কমিশনের নয়া উদ্যোগ। ডিসিআরসি সেলফি জোন। সেখানে ভোটকর্মীরা ছবি তুলছেন। রাজ্যে শেষ দফা ভোটের আগে ব্যস্ততার মাঝখানে...

বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার মহারণ, ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ কলকাতা-সহ ৮ জেলায় 

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের ৮টি জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ...

বাতিল হয়েছিল ১২ লক্ষ রেশন কার্ড: ঝাড়খণ্ডে SIR শুরুর আগে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক হেমন্ত

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে যে প্রশাসনিক সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হবেন...