Wednesday, January 21, 2026

করোনা কাঁটার মধ্যেই জমজমাট পরেশ পালের ইলিশ উৎসব

Date:

Share post:

প্রতি বছরের মতো এ বছরও কাঁকুরগাছিতে ইলিশ উৎসবের আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল৷ এবার ১৬ তম বর্ষে তাঁর ইলিশ উৎসব। করোনা আবহের মধ্যেও পরেশ পাল বিগত বছরগুলোর মতোই ইলিশ উৎসবের মধ্য দিয়ে খাদ্যরসিক মাছে-ভাতে বাঙালিকে তাঁর স্বাদ থেকে বঞ্চিত করেননি। ইলিশ উৎসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল দুই বাংলার মেলবন্ধন ও মৈত্রির বার্তা।

বিখ্যাত এই ইলিশ উৎসবে পদ্মাপারের ইলিশ নিয়ে মেতেছিল দুইপারের মানুষ৷ এই অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে ৪০০ কেজি ইলিশ পাঠানো হয়।

পরেশ পালের উদ্যোগে আয়োজিত এই ইলিশ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজন থেকে আমজনতা। এদিনের ইলিশ উৎসবে হরেক রকম ইলিশ পদে কবজি ডোবালেন সকলেই৷ এবছরও উপস্থিত ছিলেন নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ও কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তাঁর হাত ধরেই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন হয় এদিন৷

ইলিশ উৎসবে শুরু থেকে শেষ অবধি ছিল ইলিশের নানা সুস্বাদু পদ৷ কাচ্চি বিরিয়ানি, ইলিশের মালাইকারি, সর্ষে ইলিশ, ইলিশ দিয়ে কচু শাক, চালতা দিয়ে ইলিশের টক, ভাজা ইলিশ, খোকা ইলিশের মালাইকারির।

ফিরহাদ হাকিম জানান, যেখানে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক। অর্থাৎ কৃষ্টি-শিল্প-সংস্কৃতি দুই দেশেরই এক। এপার বাংলা -ওপার বাংলা একে অন্যের পরিপূরক। বাঙালির প্রিয় ইলিশ ইলিশ খেতে কিন্তু বাংলাদেশের উপর নির্ভর করতেই হয়।

আরও পড়ুন-ফুলবাগান মেট্রোর উদ্বোধন, ২০২১-এর মধ্যে ইস্ট-ওয়েস্টের কাজ শেষের প্রতিশ্রুতি

spot_img

Related articles

শ্মশানে জ্বলল মশাল, কচিকাঁচাদের অভিনয়ে ভিন্ন ইতিহাস গড়ল শুশুনিয়া ঐকতান

নাটকের মঞ্চ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মহাশ্মশানকে। নিস্তব্ধ অন্ধকার চিরে জ্বলছে মশাল আর বনফায়ারের আগুন। সেই প্রাকৃতিক আলো...

শ্যুটিংয়ের মাঝেই হাসপাতালে ভর্তি রণিতা

টেলিভিশনের পরিচিত মুখ ‘বাহামণি’ হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি। বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ রণিতা দাস ‘ও মোর দরদিয়া’ ধারাবাহিকে কাজ...

কেন্দ্রীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করতে পারবে রাজ্যও! জানাল সুপ্রিম কোর্ট

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করার ক্ষেত্রে কি রাজ্য পুলিশের হাত পা বাঁধা? এবার সেই ধোঁয়াশা পরিষ্কার...

দেড় দশক পর বইমেলায় ফিরছে চিন, ২২ জানুয়ারি উদ্বােধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় আবার ফিরছে চিন। ২০১১ সালে শেষবার মেলায় যোগ দিয়েছিল তারা।...