Monday, May 18, 2026

ফের দিল্লিতে নাশকতার ছক বানচাল করল পুলিশের স্পেশাল সেল, গ্রেফতার ২

Date:

Share post:

রাজধানীতে নাশকতার ছক ভেস্তে দিল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। পুলিশ পাকড়াও করল সন্দেহভাজন ২ জইশ-ই-মহম্মদ সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের দুই জঙ্গিকে। আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের। সোমবার রাতে, জঙ্গিকে দিল্লির সারাই কালে অঞ্চলের মিলেনিয়াম পার্কের কাছ থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই দুই সন্ত্রাসবাদী জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতারের পরই তাদের কাছে থেকে পাওয়া গিয়েছে ২টি সেমি অটোমেটিক পিস্তল ও দশ রাউন্ড গুলি।

দিল্লি স্পেশাল সেলের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ সঞ্জীব যাদব জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১০.১৫ মিনিট নাগাদ মিলিনিয়াম পার্ক ও সারাই কালে খানের কাছে ফাঁদ পাতা হয়। সঙ্গে তাঁরা এও জানতে পারেন, দুজন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীই গা ঢাকা দিয়েছে। তারা জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। বারামুলা জেলার ২২ বছরের আব্দুল লতিফ মীর ও কুপওয়ারা জেলার ২০ বছরের মহম্মদ আসরফ খাটানা। দুজনকেই সনাক্ত করা গিয়েছে।

চলতি বছরের অগাস্টেও দিল্লিতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করে দেয় পুলিশ। ব্যাপক গুলির লড়াইয়ের পর আইইডি বিস্ফোরক-সহ এক আইএসআইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আবু ইউসুফ খান। ডেপুটি পুলিশ সুপার প্রমোদ সিংহ কুশওয়া জানিয়েছেন, শুক্রবার গভীর রাতে ধৌলা কুঁয়া এবং করোল বাগের মাঝে রিজ রোডে পুলিশের সঙ্গে আবু ইউসুফ খানের গুলির লড়াই চলে। তারপরই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, অক্টোবরের গোড়াতেই বড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাজধানীর রিং রোড থেকে চার কাশ্মীরি জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিলেছে আগ্নেয়াস্ত্র ও ১২০ রাউন্ট গুলি। পুলিশের দাবি, রাজধানীতে বড় হামলার পরিকল্পনা করেই দিন কয়েক আগে তারা দিল্লিতে এসে আশ্রয় নেয়। রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা ঘুরে হামলার ছক কষেছিল। এই চার জঙ্গির একজন ইশফাক মজিদ কোকা। কাশ্মীরে নিহত জঙ্গি বুরহান কোকার বড়দা। বুরহান কোকা ছিল আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের প্রাক্তন প্রধান। জম্মু-কাশ্মীরে আল-কায়দার একটি শাখা হল গজওয়াত-উল-হিন্দ। বাকি তিন জনের নাম আলতাফ আহমেদ ডর, মুস্তাক আহমেদ গনি ও আকিব সফি। পুলিশ কর্তা জানান, সোর্সের খবরের ভিত্তিতে আইটিও-র কাছে ফাঁদ পাতা হয়েছিল। রিং রোডে ওই চার জনকে একটি গাড়িতে দেখতে পেয়ে পুলিশ পিছু নেয়। পুলিশের ধাওয়ায় পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের একটি গাছে ধাক্কা মারে গাড়িটি। এর পর জঙ্গিরা আর পালাতে পারেনি।

তবে সোমবার রাতের গোটা ঘটনা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি পুলিশ। দুই সন্ত্রাসবাদীর গ্রেফতারের ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে।

আরও পড়ুন-বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বঙ্গের বধূ, হাওড়ার পরিবারে খুশির হাওয়া

Related articles

সন্ত্রাসের রাজনীতির কাছে মাথা নত করবে না তৃণমূল, মেদিনীপুর ও বর্ধমান ঘুরে বার্তা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের

বিজেপি সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলায়। জোর করে ভোটে জেতার পর জেলায় জেলায় ভাঙচুর-অত্যাচার চালিয়ে...

FIR খারিজের আবেদন জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

ভোট প্রচারে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় হওয়া এফআইআরের খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই...

দেবজ্যোতি মিশ্রের ‘আলোপাখির গান’, চাঁদের হাট জিডি বিড়লা সভাঘরে

সুরের কোনো সীমানা হয় না। দেশকাল ও ভাষার গণ্ডি পেরিয়ে সুরই মানুষকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে। বাংলা তথা...

সংখ্যালঘু ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের কটাক্ষ, কড়া জবাব ভারতের

ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, তার...