যীশুর শৈশব কাটানো সেই ঘর খুঁজে পাওয়া গেল ইজরায়েলে

গোটা বিশ্বে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারক যীশুর শৈশবকাল যে বাড়িতে কেটেছে অবশেষে তার সন্ধান পেলেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। আগামী মাসেই যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন। তার আগে এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে সুখের খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের জন্য। জানা গিয়েছে ইজরায়েলের যে বাড়িতে যীশু শৈশব কাটিয়েছেন একটি গির্জার নিচে আবিষ্কৃত হয়েছে সেই বাড়ি। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

রিডিং ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কেন ডার্ক জানিয়েছেন, ইজরায়েলের নাজারেথ শহরে এক গির্জার নিচে পাওয়া গিয়েছে এই বাড়িটি। ১৯৩৬ সালের আগে পর্যন্ত এই ঘর সম্পর্কে কেউ কিছুই জানতেন না। পরে অবশ্য জানা যায় যিশুর পিতা জোসেফের উদ্যোগে ওই বাড়িটির উপর তৈরি করা হয়েছিল গির্জা। প্রত্নতত্ত্ববিদদের দাবি, আবিষ্কৃত ওই বাড়িতে থাকতেন মাতা মেরি ও জোসেফ। যিশুর জন্মের পর তার শৈশবও এখানেই কাটে।

আরও পড়ুন:পরপর চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম, স্ত্রীকে পিটিয়ে খুনের চেষ্টা স্বামীর

যদিও নাজারেথ শহরে এই বাড়িটির অস্তিত্ব প্রথম খুঁজে পাওয়া যায় ১৮৮০ সালে। তখন অবশ্য দাবি করা হয়েছিল ওই বাড়ির কথা যাতে কেউ জানতে না পারে তার জন্যই এর ওপর গির্জা স্থাপন করা হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রথম অধ্যাপক কেন ডার্ক তাঁর বই ‘দ্য সিস্টার্স অফ নাজারেথ কনভেন্ট’-এ লিখেছেন কিভাবে ওই গির্জার সিস্টাররা তাকে এ কাজে সাহায্য করেন। গির্জার সিস্টাররাই অনুমোদন আদায় করে খনন কার্য চালানোর উদ্যোগ নেন। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত চলে খননকার্য। এরপরই প্রত্নতত্ত্ববিদরা নিশ্চিত হন যে এই ঘরেই থাকতেন যীশু। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নাজারেথ শহরের এই চার্চেই গবেষণা করেছেন অধ্যাপক কেন ডার্ক।