তবে কি যুদ্ধের ইঙ্গিত! ভারত মহাসাগরে ভিড়েছে একাধিক দেশের ১২০ টি যুদ্ধজাহাজ

শুধু স্থলভাগ নয়, জলপথেও চিনের আগ্রাসন নীতিতে জেরবার প্রতিবেশী দেশ। বিগত কয়েক বছর ধরে লাল ফৌজের আগ্রাসন নীতি বেড়ে গিয়েছে ক্রমাগতভাবে। তবে চিনের আগ্রাসন থামিয়ে দিতে এবার কোমর বেঁধে প্রস্তুত হয়েছে ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ গুলি।আর সেই লক্ষ্যেই সম্প্রতি ভারত মহাসাগরে ১২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়ে দিলেন ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। সব মিলিয়ে এদিন বিপিন রাওয়াত স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন কোনওভাবেই কারও আগ্রাসন নীতি বরদাস্ত করা হবে না।

সম্প্রতি গ্লোবাল সিকিউরিটি সামিটে উপস্থিত হয়েছিলেন দেশের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। সেখানেই ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বেশিরভাগ দেশেই অর্থনৈতিক স্বার্থে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার দিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। যার ফলে তৈরি করা হচ্ছে পরিকাঠামো। ফলস্বরূপ সমস্ত দেশই নিজেদের উন্নয়নের স্বার্থে একে অপরের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে তৎপর যার ফলে ইন্দো-স্পেসিফিক রিজিওনে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সেখানকার বিভিন্ন প্রকল্পের সাহায্য করতে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে একাধিক দেশের ১২০ টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ।

আরও পড়ুন:প্রতিবাদ করলেই জেলে ঢুকিয়ে দিতে পারে, দেশবাসীকে সাবধান করলেন অপর্ণা সেন

শুধু তাই নয়, ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে চিনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেন বিগত কয়েক বছরে চিন অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে নিজেদের উন্নতি ঘটিয়েছে। ফল স্বরূপ তাদের আগ্রাসন মনোভাবও আগের তুলনায় বেড়েছে। নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চিনের এহেন ক্ষমতা বৃদ্ধি ভালোভাবে দেখছে না অন্যান্য দেশগুলিও। যার ফলে ভারতসহ বিশ্বের একাধিক দেশ বিভিন্ন প্রকল্পে সাহায্য করার জন্য ভারত মহাসাগরে ১২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। এই পদক্ষেপে শান্তি বজায় রয়েছে ওই এলাকায়। তবে বিপিন রাওয়াত এই দাবি করলেও, ভারত মহাসাগরে অন্যান্য দেশ গুলির যুদ্ধজাহাজের আধিক্য সন্দেহ বাড়াছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। তাদের অনুমান, লাদাখে চিনা আগ্রাসনের ঘটনার পর সমুদ্রপথে যাতে এই ধরনের কোনও ঘটনা না ঘটে তার জন্য একেবারে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামা হয়েছে।