আগাম নির্বাচনবিধি চেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের দাবি বিজেপির

ভোট শুরুর আগেই নির্বাচন কমিশনে (Election Commission Of India) গিয়ে পাল্টা চাপের খেলা শুরু করল বিজেপি। রাজ্যে উপ-নির্বাচন কমিশনার (Deputy Election Commissioner) আসার আগেই মঙ্গলবার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তর (MP Swapan Dasgupta) নেতৃত্বে দিল্লিতে (Delhi) নির্বাচন কমিশনে গেল বিজেপি। দাবি, আগাম নির্বাচনবিধি (pre poll election code of conduct ঘোষণা করুক কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী (CPF Central paramilitary) ফরচে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ভোট (West Bengal Vote) করাতে হবে। ভোটের কাজ থেকে বাদ দিতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্যদের (WB State Government Employees Fedaration)।

আগাম নির্বাচনবিধি দাবির পাধাপাশি লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, চিঠির সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইওকে দেওয়া চিঠি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ভিডিও। বিজেপির দাবি ভিডিওতে নাকি রাজ্য সরকারি কর্মী যারা ভোটের কাজে যুক্ত থাকবেন, তারা শাসক দলকে জেতানোর নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে মুখ্যনির্বাচন কমিশনারের কাছে দু’পাতার চিঠি দেয় বিজেপি প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, লকেট চট্টোপাধ্যায় ( MP loket chatterjee) সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) এবং শিশির বাজোরিয়া (Sisir Bajoria)। চিঠিতে নাড্ডার কনভয়ে হামলা বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। বলা হয়েছে পুলিশের চোখের সামনে ঘটনা ঘটলেও তাদের তরফে বলা হয়েছে কিছুই হয়নি। অথচ আহত হয়েছেন দলের দুই নেতা এবং বহু সমর্থক। ১৩২জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন – করোনার জেরে বসছে না সংসদের শীতকালীন অধিবেশন

অভিযোগ রাখা হয়েছে ভোটার তালিকা নিয়েও। বিজেপির অভিযোগ, মৃত এবং রাজ্য ছেড়ে যাওয়া ভোটারদের তালিকা থেকে সরানো হয়নি। বিরোধীরা বলেও কিছু কাজ হয়নি। অথচ শাসক দলের নেতা-কর্মীদের কথা রাখা হচ্ছে।

বিজেপি প্রতিনিধি দলের দাবি,
১. পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে।
২. পুর আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী কলকাতা পুর ভোটের নোটিশ জারি (Notification of MCC) করা হোক।
৩. ভোটের কাজ থেকে সরানো হোক রাজ্য সরকারি কর্মীদের।