আর্থিক দুর্নীতি! ফারুক আবদুল্লার ১২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে(Jammu Kashmir cricket association) আর্থিক আর্থিক দুর্নীতি মামলা তদন্তে নেমে ফারুক আবদুল্লার(Farooq Abdullah) ১১.৮৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি(enforcement director)। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর বেশ চাপে জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স(Jammu Kashmir National conference) দলের অধ্যক্ষ ফারুক আবদুল্লা।

ইডি সূত্রের খবর, আর্থিক দুর্নীতি(money laundering) দমন আইনের আওতায় জম্মু ও শ্রীনগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে দু’টি আবাসন ও একটি বাণিজ্যিক ভবন। এছাড়া তিনটি জমি। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন ২০০২-১১ সালের মধ্যে ৪৩.৬৯ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালে এই ঘটনার তদন্তে নেমে সাংসদ আবদুল্লা সহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় সিবিআইয়ের তরফে। পাশাপাশি ঘটনার জেরে দু’বার শ্রীনগরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ওই সাংসদকে। অবশেষে এই ঘটনার তদন্তে নেমে আবদুল্লার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।

আরও পড়ুন:দলীয় বৈঠকে ফের কংগ্রেস সভাপতি পদে ফেরার ইঙ্গিত রাহুলের

এদিকে এই ঘটনাকে পুরোপুরি বিজেপির ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে জম্মু-কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স দল। তাদের দাবি ৮৩ বছর বয়সী ফারুক আবদুল্লা যখন জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে উপত্যকায় সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ে নেমেছেন, ঠিক সেই সময়ে এই পদক্ষেপ করল সরকার। এ প্রসঙ্গে ন্যাশনাল কনফারেন্সের এক মুখপাত্র বলেন, ‘উপত্যকার সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির তরফে জোট ঘোষণার পরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তরফে এই চিঠি এসেছে। এটা বেশ স্পষ্ট যে বিজেপি সরকার উপত্যকার আন্দোলনকে থামাতে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।’