করোনা আক্রান্তদের বেশিরভাগই বহুতলের বাসিন্দা, কমবয়সীদের মধ্যে বাড়ছে সংক্রমণ

last 24 hours 1,52,879 people affected coronavirus

সারা দেশজুড়ে ফের ঊর্ধমুখী করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে কলকাতাতেও। চিন্তায় পুর প্রশাসন। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, বহুতলের বাসিন্দাদের চেয়ে কম সংক্রমিত হচ্ছেন বস্তির বাসিন্দারা। এর মধ্যে সংক্রমিতদের তালিকায় বেশির ভাগের বয়স ৩০-৪০ বছরের মধ্যে।

পুর স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, রবিবার কলকাতায় ১৬৬ জন কোভিড সংক্রমিতের মধ্যে ৩৮ জন ষাট বছরের ঊর্ধ্বে। সোমবারে সংক্রমিত ১৭৮ জনের মধ্যে ৪৭ জন ষাটোর্ধ্ব। আক্রান্তদের বেশির ভাগ ৩০-৪০ বছর বয়সি। পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার কলকাতায় কোভিড সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১৬৬। এঁদের মধ্যে ৯৪ জন বহুতলের বাসিন্দা। সোমবার শহরে সংক্রমিত হয়েছেন ১৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে বাড়ির বাসিন্দা ৩৮ জন। বাকিরা সকলেই বহুতলের বাসিন্দা। ওই দিনের আক্রান্তদের মধ্যে ৩৩ জন উপসর্গযুক্ত। বাকিরা উপসর্গহীন। তবে আক্রান্তদের বেশির ভাগই হোম কোয়রান্টাইনে রয়েছেন।

আরও পড়ুন-ভোটের মুখে ইমাম ভাতা বন্ধের দাবি তুললেন আব্বাস সিদ্দিকি

ইতিমধ্যেই শহরবাসীর উদ্দেশে বিভিন্ন সতর্কতা পুনরায় জারি করা হয়েছে। শহরে আবার হোডিং লাগিয়ে শহরবাসীদের সতর্ক হতে বলা হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার ৩, ৭, ৮ এবং ১০ নম্বর বরোয় বেশি সংক্রমণ ছড়ানোয় ওই বরোগুলিতে দু’টি করে অটোয় ঘুরে সতর্কতার প্রচার চালানো হচ্ছে। কোভিডের প্রকোপ বাড়ছে উত্তরের শ্যামপুকুর, ফুলবাগান, মানিকতলা, বেলেঘাটা এলাকাতেও।

পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ৮ নম্বর বরোর বালিগঞ্জ, ভবানীপুর, গড়িয়াহাট, টালিগঞ্জে এবং ৯ নম্বর বরোর অন্তর্গত আলিপুরে সংক্রমিতের হার বাড়ছে। সোমবার ৯ নম্বর বরোর শুধু আলিপুরেই আক্রান্ত হয়েছেন ২০ জন। রবিবারে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫। ওই দিন বালিগঞ্জে সংক্রমিত হয়েছেন ৯ জন এবং ৭ নম্বর বরোর অধীনস্থ শেক্সপিয়র সরণিতে সংক্রমিত ৭। গত দু’দিনে বালিগঞ্জ ও আলিপুরে কোভিড সংক্রমিত হয়েছেন যথাক্রমে ২৪ এবং ৩৫ জন। অন্য দিকে, সোমবার বেহালা ও পর্ণশ্রী মিলিয়ে ১৬ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। রবিবার ওই দুই এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০। সোমবার ঠাকুরপুকুরে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন। রিজেন্ট পার্কের একই এলাকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। অথচ ঠাকুরপুকুর এবং রিজেন্ট পার্কে গত কয়েক দিনের তথ্যে সংক্রমিতের সংখ্যাই ছিল না।

Advt