‘কুম্ভ-ফেরত পুণ্যার্থীরা রাজ্যে রাজ্যে করোনা বিতরণ করবে’, বিস্ফোরক মুম্বইয়ের মেয়র

হরিদ্বারের এবারের কুম্ভমেলা করোনাভাইরাসের ‘সুপারস্প্রেডার’ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা৷ ফলে এই উৎসব ঘিরে দেশজুড়ে আতঙ্ক বেড়েই চলেছে৷

এই আতঙ্কের একমাত্র কারন, গোটা দেশ থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী কুম্ভমেলায় (kumbhmela 2021) অংশ নিয়েছেন৷ সেখান থেকে নিজেদের রাজ্যে ফিরেছেন বা ফিরছেন ৷ কুম্ভমেলায় যে হু হু করে সংক্রমণ ছড়িয়েছে, তা আর অজানা নয়৷ সংক্রমিত অবস্থায় নিজেদের রাজ্যে ফিরে এই পুণ্যার্থীরা যে করোনা ছড়াবেন না, তার নিশ্চয়তা নেই৷ ফলে দেশের প্রতিটা রাজ্য দাঁড়িয়ে আছে অতিমারির সামনে৷

আর ঠিক এই পরিস্থিতিতে কুম্ভ-ফেরত পুণ্যার্থীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বৃহন্মুম্বই (mumbai) পৌরনিগমের মেয়র কিশোরী পেডনেকর (Mayor Kishori pednekar)৷ তিনি বলেছেন, “কুম্ভমেলা থেকে নিজেদের রাজ্যে ফিরে যাওয়া ব্যক্তিরা প্রসাদ বিলির মতো করোনা (coronavirus) বিলি করবে। কুম্ভ-ফেরত এই ব্যক্তিদের নিজেদের খরচায় কোয়ারেনটিনে রাখা উচিত।”

আরও পড়ুন- হাসপাতালের কেবিন থেকে লাফিয়ে নীচে পড়ে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালেই ‘প্রতীকী কুম্ভ’-র পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আর তারপরেই এই মন্তব্য করলেন কিশোরী পেডনেকরও।

বৃহন্মুম্বই পৌরনিগমের মেয়র কিশোরী পেডনেকর এদিন আরও বলেন, “৯৫ শতাংশ মুম্বইকর করোনা বিধিনিষেধ মেনে চলছেন। তবে ৫ শতাংশ মানুষ এসব বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করছেন না। আর এই ৫ শতাংশের জন্যই সমস্যা বাড়ছে৷” তিনি বলেছেন, “আমার মতে করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে মুম্বইতে পূর্ণ লকডাউন জারি করা উচিত।”

এদিনই সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতীকী ভাবে কুম্ভমেলা পালনের পক্ষে সওয়াল করেছেন৷ অতিমারি নিয়ন্ত্রণ করতেই এই অনুরোধ তিনি করেছেন৷ এক টুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “ইতিমধ্যেই হিন্দু ধর্ম আচার্য সভার সভাপতি স্বামী অবধেশানন্দ গিরিজি মহারাজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি আমি। আমি তাঁকে বলেছি, কুম্ভমেলার মতো যে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দলে দলে পুণ্যার্থীরা এক জায়গায় জড়ো হন। যার ফলে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পড়ে। তাই প্রতীকী ভাবেই কুম্ভমেলা পালন করা ভালো”৷

আরও পড়ুন- “গেম ইজ ওভার”, অসুস্থতা কাটিয়ে জানালেন আত্মবিশ্বাসী মদন

Advt