করোনা-মুক্ত হওয়ার কতদিন পর টিকা নেওয়া উচিত? এবং কেন?

করোনা-মুক্ত হওয়ার কতদিন পর টিকা নেওয়া উচিত? এবং কেন?

বহু মানুষ টিকা নেওয়ার পরেও নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ভ্যাকসিন না নিয়েই তাঁদের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। যাঁরা ভ্যাকসিন না নিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসার ঠিক কতদিন পর ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত? এবং কেন? কেন্দ্রের টিকাকরণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির এক আধিকারি জানিয়েছেন, কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসার ৬ মাস পরে ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত।

করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট আসার কত দিন পরে ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত? কেন্দ্রের টিকাকরণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রস্তাব ৬ মাসের আগে টিকা নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি ‘ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফর কোভিড-১৯’ বা NEGVAC-এর কাছে। এখন অপেক্ষায়। NEGVAC এই প্রস্তাবে সায় দিলেই এটি কার্যকর করা হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কেন করোনামুক্ত হওয়ার ৬ মাস পরেই কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত? কেন্দ্রের টিকাকরণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি জানাচ্ছে, অ্যান্টিবডির কার্যকারিতা বাড়াতেই ৬ মাস পর টিকা নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন-সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে টানা লকডাউনের পক্ষেই সওয়াল ICMR প্রধানের

করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসার কত দিন পরে টিকা নেওয়া উচিত, এ বিষয়ে বহু মত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কথায়, করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসার ৬ মাসে পরে টিকা নেওয়ার যেতে পারে। হু’র যুক্তি, করোনা-মুক্তির পরে প্রায় ৬ মাস কার্যকরি থাকে অ্যান্টিবডি। তাই টিকা ৬ মাস পরই নেওয়া উচিত। একই মত দেশের টিকাবিজ্ঞানীদেরও একাংশের। তাঁরা জানিয়েছেন, ব্রিটেন থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের প্রাকৃতিক সংক্রমণ কাটিয়ে ওঠা মানে শরীরে ৮০ শতাংশ সুরক্ষা গড়ে ওঠা। তাই ৬ মাস অপেক্ষা করা যেতেই পারে। তার পরে ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। আমেরিকার কথায়, করোনা-মুক্ত হওয়ার ৩ মাস পরেই টিকা নেওয়া যায়।

Advt