Friday, January 30, 2026

বনদফতরের সহযোগিতায় মার্লিন গ্রুপ ও কেএসসিএইচ সুন্দরবনের ১৫০০ দুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছালো

Date:

Share post:

কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজ , মার্লিন গ্রুপ এবং রাজ্য বনদফতরের সহযোগিতায় সুন্দরবনে দুর্গতদের সাহায্যের জন্য একটি ত্রাণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল । দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত । এই কুলতলির দুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।উপস্থিত ছিলেন ডিএফও মিলন মন্ডল ও মার্লিন গ্রুপের আধিকারিকরা ।

কুলতলির পাাঁচটি গ্রামের ১ হাজার পরিবারের মধ্যে ৫ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ডেল্টা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত করার পর এই ত্রাণ কর্মসূচিটি ছিল সুন্দরবনের প্রথম সংঘটিত
ত্রাণ কার্যক্রম ।

শুধুমাত্র কুলতলি নয় গোসাবা, সাগরদ্বীপ, পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ অঞ্চলও ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত । ইতিমধ্যে ৪৩ হাজার গ্রামবাসীকে ১২ টন খাবার এবং ১৫০০ পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে ।

এই ত্রাণসামগ্রী সুন্দরবনের কান্টামারী, দেউলবাড়ি, আইওআই, কুলতলি প্রথম ও দ্বিতীয় সহ পাাঁচটি গ্রামে এক হাজারেরও বেশি পরিবারকে বিতরণ করা হয়। গ্রামবাসীদের হাতে পানীয় জল, চিড়ে, বিস্কুট, বাতাসা, সাবান, ব্লিচিং পাউডার , সাবান, ত্রিপল, মাস্ক এবং স্যানিটাইজার, ন্যাপকিন ইত্যাদি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।

মিলন মন্ডল ( ডিএফও, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ) বলেছেন , সুন্দরবন অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত
মানুষকে সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের পাশাপাশি মার্লিন গ্রুপ এবং অন্যান্যদের সমর্থন পেয়েছি। এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় ।

কেএসসিএইচ-এর প্ররতষ্ঠাতা সৌরভ
মুখোপাধ্যায় বলেছেন , “আমরা সুন্দরবনের মানুষের সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে সুন্দরবন বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইয়াসের তাণ্ডবেও ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা। বনদফতরের সাহায্যে এবং প্রথম কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে মার্লিন গ্রুপ এই ত্রাণকার্যে এগিয়ে আসায় আমরা কৃতজ্ঞ।

আইএম কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা সাকেত মােহতা, মার্লিন গ্রুপের সিএসআর বাহিনী এবং সংস্থার এমডি জানিয়েছেন , সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যেভাবে দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য। শুধুমাত্র সুন্দরবন নয়, পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত। সেখানেও আমরা ত্রাণ পৌঁছে দিতে চাই। আরও কর্পোরেট সংস্থা যদি এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, তবে দুর্গতদের সাহায্য করা সরকারের পক্ষে অনেকটাই সহজ হবে। আমরা আশা রাখবো দ্রুত সুন্দরবন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ ফিরে পাবে।

spot_img

Related articles

অজিত পাওয়ারের জায়গায় কি স্ত্রী সুনেত্রা? মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে জোর জল্পনা

মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar)। তবে,  রাজনীতিতে কোনও স্থানই শূন্য থাকে না। সূত্রের...

জবাবদিহি নাপসন্দ! গোপনীয়তার দোহাই দিয়ে কোপ RTI আইনে

RTI আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মোদি সরকারের জবাবদিহি নাপসন্দ। মেহুল...

টি২০ বিশ্বকাপে সেরা চার দল কারা? জেনে নিন দাদার পছন্দ

টি২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র ৮ দিন। বিশ্বকাপ নিয়ে নানা মুণির নানা মত। আসন্ন মেগা ইভেন্টে নিজের...

ফের অতিরিক্ত কাজের চাপে BLO-র আত্মহত্যার অভিযোগ শিলিগুড়িতে

রাজ্যে চলমান এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার মধ্যেই ফের এক বিএলও-র (BLO) মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে (SILIGURI) ভোটার তালিকা...