একদিনে ঘোষণা করা হোক রাজ্যের সব পুরসভার ফল, কমিশনকে চিঠি দিয়ে আবেদন বামফ্রন্টের

করোনা পরিস্থিতির কারনে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগরে পূর্ব নির্ধারিত ২২ জানুয়ারির পরিবর্তে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। সম্ভাব্য ভোটগণনা ১৪ ফেব্রুয়ারী। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল বামফ্রন্ট। চিঠিতে বামফ্রন্ট প্রস্তাব দিয়েছে, শুধু চার পুরনিগমের নয়, রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার নির্বাচনের পর একসঙ্গে সমস্ত ফল প্রকাশ করা হোক।

করোনা (Corona) আবহে অবশেষে পিছিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট (Corporation Election)। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগরে পূর্ব নির্ধারিত ২২ জানুয়ারির পরিবর্তে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। আজ শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে একথা ঘোষণা করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন একইসঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে আগের মতোই ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করতে চায় তারা। সেভাবেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। তবে চার পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে গেলেও নতুন করে আর কোনও মনোনয়ন হবে না এই পুরনিগমগুলিতে। কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত দেখে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এদিন ভোট পিছানোর সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

এরপরই বিকেলে বামফ্রন্টের তরফে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে আবেদন করে বলা হয়, ১২ এবং ২৭ তারিখ দু’দফায় রাজ্যের সমস্ত পুরসভার ভোট হওয়ার পর একইদিনে যেন ফল ঘোষণা করা হয়। এ প্রসঙ্গে, রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে ভোটের সম্ভাব্য দিনক্ষণ হিসেবে আদালতে  নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত দিন – ২৭ ফেব্রুয়ারির কথা উল্লেখ করা হয় বামেদের চিঠিতে। চিঠিতে ফ্রন্ট চেয়ারম্যান ২০১৫ সালের পুরভোটে ভোট গণনার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, সেইবার ১৮ এপ্রিল ও ২৫ এপ্রিল ভোট হলেও গণনা হয় ২৮ এপ্রিল।

আরও পড়ুন- শৈত্য প্রবাহের জেরে কাঁপছে উত্তরভারত, রাজধানীতে ঠান্ডা ১৭ বছরের সর্বোচ্চ

 

Previous articleশৈত্য প্রবাহের জেরে কাঁপছে উত্তরভারত, রাজধানীতে ঠান্ডা ১৭ বছরের সর্বোচ্চ