দুর্গাপুজো নিয়ে বিজেপির রাজনীতির জবাব দেবে বাংলার মানুষ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই ইউনেস্কো বাংলার দুর্গাপুজোকে ইনট্যানজিবল হেরিটেজের স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু এই হেরিটেজেও সম্মানপ্রাপ্তি নিয়েও নোংরা রাজনীতি শুরু করল বিজেপি । যা ন্যাক্কারজনকই নয় হাস্যকরও বটে।  কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে আগামীকাল, শুক্রবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ইউনেস্কোর সম্মানপ্রাপ্তির সেলিব্রেশনকে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কেন্দ্র। সেখানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন রাজ্যপাল, জগদীপ ধনকড়। আশ্চর্যজনকভাবে সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রাজ্য সরকারের কেউই।

আরও পড়ুন:ডেকে নিয়ে কুপিয়ে খুন, পার্ক সার্কাসে হাড়হিম করা ঘটনা


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল হেরিটেজের স্বীকৃতি পেয়েছে। যদিও এই স্বীকৃতি পাওয়া অতটা সহজ ছিল না। দুর্গাপূজোর আন্তর্জাতিক আসনে বসাতে উদ্যোগী হয় রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপুঞ্জের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিভাগে আবেদন করেন খোদ মমতা। এই আবেদনকে খতিয়ে দেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা হেরিটেজ তকমা দেয় দুর্গাপুজোকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই এই স্বীকৃতি সম্ভবপর হয়। অথচ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই আমন্ত্রণ নেই। এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিহংসামূলক রাজনীতিতে এটাও যে সম্ভবপর তা নিজেরাই বুঝিয়ে দিয়েছে।




দুর্গাপুজো মানেই বাংলা ও বাঙালি। যাঁর হাত ধরে এই স্বীকৃতি সেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই এই অনুষ্ঠানে ব্রাত্য বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিল্পীমহল। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, এর পালটা জবাব দেবে বাংলার মানুষ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর শহরজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হবে। সেদিন বিজেপি ও কেন্দ্র দেখবে দুর্গাপুজো নিয়ে বাংলার আবেগ কোন মাত্রায়।

Previous articleWeather Forecast: ফের ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকূটি! আন্দামান সাগরে ঘূর্ণাবত আজই নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস