খুব শীঘ্রই কলকাতার রাজপথে নামবে ব্যাটারি ও ট্রলি বাস, বিধানসভায় জানালেন ফিরহাদ

পেট্রোপণ্যের উত্তরোত্তর মূল্যবৃদ্ধির কারণে সব বাসকে ব্যাটারি চালিত বাসে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ব্যাটারি চালিত বাসের জন্য ইতিমধ্যেই ৭৬ টি চার্জিং স্টেশন করা হয়েছে। আরো স্টেশন তৈরির চেষ্টা  করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জ্বালানি ও পরিবেশের কথা মাথায় রেখে ই-বাসের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ১০০ টি ই-বাস চলছে। এরকম আরও ১২০০টি বাসের বরাত দেওয়া হয়েছে।আগামী বছরের মধ্যে আরও ৪০০ টি বাস চলে আসবে। ২০২৪ এর মার্চে মিলবে আরও ৪০০ টি ই-বাস। লিথিয়াম ব্যাটারির অভাবে ই-বাস আসতে সময় লাগছে বলেও জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী। এই ই-বাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এর খরচ কম। কিন্তু আয় বেশি। তেলের খরচ নেই। শুধুই চার্জিংয়ের খরচ। হিসেব  অনুযায়ী, ১ কিলোমিটার রাস্তা যেতে এসি বা নন-এসি সরকারি বাসে খরচ পড়ে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা। সেখানে ই-বাসে খরচ মাত্র ১২ থেকে ১৫ টাকা।

পাশাপাশি তিলোত্তমার রাজপথে ট্রলি বাসও চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী। ফিরহাদ এদিন জানিয়েছেন, কলকাতার যে রাস্তাগুলি দিয়ে ট্রাম চলত সেখান দিয়েই চলবে এই বাস। যেমন খিদিরপুর-ধর্মতলা রুটে ট্রাম চলত। কিন্তু ওই রুটেই এবার ট্রলি বাস চালানোর পরিকল্পনা চলছে। তবে খুব সরু রাস্তা দিয়ে যেহেতু এই বাস চলাচল সম্ভব নয়, তাই রবীন্দ্র সরণি দিয়ে ট্রলি বাস চালানোর পরিকল্পনার চলছে। এভাবেই কলকাতার আরো অনেক রাস্তায় খুব শীঘ্রই ট্রলি বাস চালু হতে চলেছে। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।

বাসের পাশাপাশি শহরে ট্রাম পরিষেবা নিয়েও এদিন বিধানসভায় প্রশ্ন করা হয় পরিবহণ মন্ত্রীকে। শহরে ট্রাম চলাচল সর্বত্র হবে কী না এই প্রশ্নের উত্তরে পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, ট্রামকে আমরা হেরিটেজ হিসেবে রেখে দিয়েছি। চওড়া রাস্তাতে ট্রাম চালানো হচ্ছে। বেশি ট্রাম চললে যানজট তৈরি হবে।

 

 

Previous articleপ্রতিবন্ধকতাকে জয় করে আন্তর্জাতিক সম্মান দুর্গাপুরের দেবস্মিতার