উত্তর-দক্ষিণ নয় একটাই বঙ্গ, একুশে সমাবেশের আগে সেন্ট্রাল পার্ক যেন মিলন ক্ষেত্র

ঐতিহাসিক একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের আগে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক যেন এই বঙ্গের মিলন ক্ষেত্র। উত্তর-দক্ষিণের নেই কোনও ভেদাভেদ। পার্কের মধ্যে শোভা পাচ্ছে একের পর এক উত্তরের জেলাগুলির টুকরো ছবি

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিধানে উত্তর বা দক্ষিণ বলে কিছু নেই। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ বা কলকাতা থেকে জঙ্গলমহল, একটাই বঙ্গ। এবার যেন সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে কলকাতার উপকণ্ঠে বিধাননগরে।

আরও পড়ুন:একুশের সমাবেশের আগে জোরদার নিরাপত্তা হাওড়া স্টেশন চত্বরে

ঐতিহাসিক একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের আগে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক যেন এই বঙ্গের মিলন ক্ষেত্র। উত্তর-দক্ষিণের নেই কোনও ভেদাভেদ। পার্কের মধ্যে শোভা পাচ্ছে একের পর এক উত্তরের জেলাগুলির টুকরো ছবি। হাইটেক শহরের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে “গ্রাম”। একের পর এক দৈত্যকার হ্যাঙারে তৈরি সু-সজ্জিত ‘প্যাভিলিয়ান’। এই প্যাভিলিয়ানগুলি এক একটি গ্রামের পরিচয় বহন করছে। প্রত্যেকটির গায়ে লেখা জেলার নাম। কোথাও লেখা দার্জিলিং, কোথাও জলপাইগুড়ি, আবার কোথাও উত্তর বা দক্ষিণ দিনাজপুর বা আলিপুরদুয়ার। ঘন্টায় ঘন্টায় ভিড় বাড়ছে গ্রামে। বুধবার রাত পর্যন্ত চলে আসার পর্ব। অস্থায়ী এই গ্রামের বাসিন্দারা অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। অপেক্ষা মাহেন্দ্রক্ষণ-এর। একুশে জুলাই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শুনতে সব পথ মিশবে ধর্মতলায়।

সেন্ট্রাল পার্কে সাতটি বড় হ্যাঙার এবং ১২টি মাঝারি ক্যাম্প করা হয়েছে। ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেন্ট্রাল পার্কের মধ্যে অস্থায়ী এই গ্রামগুলিতে রয়েছে থাকা-খাওয়ার পর্যাপ্ত জায়গা। পানীয় জল, মেডিক্যাল ক্যাম্প, পরিষ্কার শৌচালয়। মোবাইল চার্জিং সেন্টার, অনুসন্ধান কেন্দ্র থেকে স্নানাগার– কী নেই? সবমিলিয়ে একুশের সমাবেশ উপলক্ষ্যে উত্তর-দক্ষিণ নয় একটাই বঙ্গ, একুশে বিধাননগর সেন্ট্রাল পার্ক যেন মিলন ক্ষেত্র।



 

Previous articleশ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের গদিতে বসবেন কে?