শহরে জনজোয়ার!২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ ঘিরে রঙিন ছবি

রাত পোহালেই শহিদ তর্পণ। তার আগেই কেউ আলিপুরদুয়ার থেকে, কেউ কোচবিহার থেকে।কেউ বা মালদহ থেকে। রাজ্যের নানাপ্রান্ত থেকে শহরে মানুষের স্রোত। হাওড়া, শিয়ালদহে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী ক্যাম্প। কেউ ট্রেনে চেপে, কেউ বাসে, কেউ সাইকেলে, কেউ বা পায়ে হেঁটে  ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। পাণ্ডবেশ্বর থেকে পায়ে হেঁটে ১২ জন তৃণমূল কর্মী ধর্মতলায় এসেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, ২৫১ কিলোমিটার পথ তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের প্রচার করতে করতে তাঁরা পদযাত্রা করেছেন। এই পদযাত্রা দেশবাসীকে নতুন দিশা দেখাবে বলে জানিয়েছেন পান্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী৷

আরও পড়ুন:উত্তর-দক্ষিণ নয় একটাই বঙ্গ, একুশে সমাবেশের আগে সেন্ট্রাল পার্ক যেন মিলন ক্ষেত্র

যারা পায়ে হেঁটে এসেছেন তাঁদের সঙ্গে থাকা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর অনুপ্রেরণায় ২১ জুলাইকে সামনে রেখে আমরা বহুলা অঞ্চলের পরাশকোল গ্রাম থেকে রওনা হয়েছিলাম৷ শহিদদের সম্মান জানাতে বিধায়কের অফিস থেকে আমরা পায়ে হেঁটে ধর্মতলার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিলাম।’’ পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারী তৃণমূল কর্মী ছোটন আঢ্য জানিয়েছেন, ‘‘আমরা ২১ জুলাইয়ের শহিদ স্মরণের উদ্দেশ্যে ধর্মতলায় এসেছি৷”

এদিকে একুশের সমাবেশ ঘিরে সেজেছে কলকাতাও। শহরের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পতাকা, হোর্দিং, ফ্লেক্স লাগানো হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দলের কর্মীদের জন্য রয়েছে থাকার সুবন্দোবস্ত । শুধু তাই নয়, কর্মীদের জন্য রয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্পও। এদিকে একুশের সমাবেশ ঘিরে সেজেছে কলকাতাও। শহরের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের পতাকা, হোর্ডিং, ফ্লেক্স লাগানো হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দলের কর্মীদের জন্য রয়েছে থাকার সুবন্দোবস্ত । শুধু তাই নয়, কর্মীদের জন্য রয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্পও।

অন্যদিকে,একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ ।সমাবেশস্থল কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। একাধিক আইপিএস পদমর্যাদার অফিসার থেকে থানা স্তরের পুলিশকর্মীও রাখা হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার সমাবেশের নিরাপত্তায় থাকবেন ত্রিশ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার ।‌ এছাড়াও থাকবেন সত্তর জন অ্যাডিশনাল কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার ও শহরে মোতায়েন থাকবেন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার দেড়শো জন আধিকারিক,‌ সাড়ে সাতশো জন সাব ইন্সপেক্টর ।



Previous articleউত্তর-দক্ষিণ নয় একটাই বঙ্গ, একুশে সমাবেশের আগে সেন্ট্রাল পার্ক যেন মিলন ক্ষেত্র