কাদের মাধ্যমে কীভাবে পার্থ-অর্পিতা টাকা লেনদেন করতেন? ইডির হাতে নামের তালিকা

যে তথ্য ইডির হাতে এসেছে, সেখানে আরও দুটি ব্র্যান্ডেড গাড়ির বুকিং হয়েছিল অর্পিতার নামে। খুব তাড়াতাড়ি সেগুলি ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল

যতই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে পার্থ বান্ধবী অর্পিতা চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে দাবি করুন, টাকার উৎস তাঁর জানা নেই। তাঁর অজান্তে বা অনুপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে টাকা ঢুকেছে, সেই ছেদো যুক্তি মানতে নারাজ ইডি। কারণ, তদন্তে নেমে শুধু কোটি কোটি নগদ নয়, এজেন্সির হাতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। যেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে একের পর এক সম্পত্তির হদিশ মিলছে।

আগেই অর্পিতার নামে থাকা ৬টি কোম্পানির হদিশ পেয়েছিল ইডি। মিলেছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয়দের নামে থাকা কোম্পানির হদিশও। তবে এই প্রথম এমন দুটি সংস্থার হদিশ মিলল, যা যৌথভাবে পার্থ-অর্পিতার নামে রয়েছে। কলকাতার ঠিকানায় ২০১১- ২০১২ সালে রেজিস্ট্রশেন হয় ওই কোম্পানি দুটির। দুটি কোম্পানিতেই ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে পার্থ-অর্পিতার।

একই সঙ্গে নতুন করে যে তথ্য ইডির হাতে এসেছে, সেখানে আরও দুটি ব্র্যান্ডেড গাড়ির বুকিং হয়েছিল অর্পিতার নামে। খুব তাড়াতাড়ি সেগুলি ডেলিভারি হওয়ার কথা ছিল।অন্যদিকে, এখনও উধাও অর্পিতার চারটি বিলাসবহুল গাড়ি। যে গাড়িগুলিতে কোটি কোটি টাকা বোঝাই আছে বলেই ধারণা তদন্তকারীদের। টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার জন্যই গাড়িগুলি ব্যবহার করা হয়েছে। হন্যে হয়ে সেগুলির খোঁজ চালাচ্ছে ইডি।

আবার অর্পিতার বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত ৩টি ডায়েরি ও নোটবুকে মিলেছে টাকা লেনদেনের হিসেব। এই অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত ছিলেন, কারা অর্পিতার ফ্ল্যাটে টাকা পৌঁছে দিত, ফ্ল্যাট থেকে টাকা কাদের মাধ্যমে অন্যত্র যেত, এই ডায়েরিগুলি থেকে সেই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর।


Previous articleহাসপাতালে চর্মরোগ বিভাগে ১৫ বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে একই তোষক !