পাটুলি থেকে পণ্ডিতিয়া, শহরজুড়ে পার্থ বান্ধবী অর্পিতার ফ্ল্যাট-দোকানে ইডির হানা

সকাল থেকে চারটি দলে ভাগ হয়ে চলে ইডির তল্লাশি অভিযান। একটি দল যায় গড়িয়াহাট এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে। দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ এবং তৃতীয় দল বরানগরে অর্পিতার বন্ধ দোকানে যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে। 

আগামিকাল, বুধবার শেষ হচ্ছে পার্থ; অর্পিতার দ্বিতীয় দফার ইডি হেফাজত। তাঁদের আরও কিছুদিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চান তদন্তকারীরা। তার আগে মঙ্গলবার উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহর-শহরতলীর একাধিক জায়গায় অভিযান চালায় ইডি (ED)। এদিন সকাল থেকে চারটি দলে ভাগ হয়ে চলে ইডির তল্লাশি অভিযান। একটি দল যায় গড়িয়াহাট (Gariahat ) এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditiya Road) । দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ এবং তৃতীয় দল বরানগরে (Baranagar) অর্পিতার বন্ধ দোকানে যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে। ইডির একটি টিম আসে দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে পালকি রেস্টুরেন্টের উল্টো দিকে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারে (Nail Art Parlour) । একই সঙ্গে কেদুয়া মেন রোড সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি।

ঠিক ওই সময় গড়িয়াহাটের পণ্ডিতিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডির আরেকটি দল। ফোর্ট ওয়েসিস আবাসনের ৬ নম্বর ব্লকের ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে যান তদন্তকারীরা। খাতায় কলমে এই ফ্ল্যাট ওম ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তির নামে।কিন্তু ইডির তদন্তকারীদের দাবি, পার্থ ওই ফ্ল্যাটটি অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। অর্পিতাই ছিলেন ওই ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’। যদিও বেশ কয়েক মাস পণ্ডিতিয়ার ফ্ল্যাটে দেখা মেলেনি অর্পিতার।

অন্য আরেকটি দল বরানগরে অর্পিতার বন্ধ নেইল আর্ট শপের শাটারের তালা খুলে তল্লাশি করে। অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই দোকানটি বন্ধ। বরানগরে বন্ধ দোকানের পাশেই রয়েছে একটি ব্যাঙ্ক। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অর্পিতা যখনই এই দোকানে আসতেন, তিনি পাশের ব্যাঙ্কেও যেতেন। ইডি ব্যাঙ্কে ঢুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে।


Previous articleপানীয় জলের নামে ‘বিষ পান’ করছেন দেশবাসী, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট কেন্দ্রের