শুভেন্দুর কুকথার জন্য বিজেপি আগে ক্ষমা চাক, বিস্ফোরক কুণাল

সপ্তাহখানেক ধরে শুভেন্দু একের পর এক কুমন্তব্য করে প্ররোচিত করেছে। অখিল গিরি সেই প্ররোচনায় পা দিয়েছেন

দলীয় মন্ত্রী রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে যে বেফাঁস মন্তব্য করেছেন সেই বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, অখিল গিরি মাননীয় রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন সেটা অবাঞ্ছিত । দল তাকে যে বার্তা দেওয়ার দিয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য দল সমর্থন করে না। এরপরও কেউ কেউ এই মন্তব্য নিয়ে রাজনীতি করছেন । তিনি প্রশ্ন তোলেন, শুভেন্দু অধিকারী যখন বীরবাহা হাঁসদা সম্পর্কে বলেন ‘আমার জুতার নিচে থাকে’ কই বিজেপিতো ক্ষমা চায় না? বিজেপি তো নিন্দা করে না?

অখিল গিরি একজন প্রবীণ মন্ত্রী। তাকে সপ্তাহখানেক ধরে শুভেন্দু একের পর এক কুমন্তব্য করে প্ররোচিত করেছে। অখিল গিরি সেই প্ররোচনায় পা দিয়েছেন। তারপরও তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা আমরা নিন্দা করি। তার মন্তব্যের আমরা বিরোধিতা করি।সংবাদমাধ্যমের একাংশ শুভেন্দুর সেই ভিডিওটা চেপে যাবে, বীরবাহা হাঁসদাকে বলবে পায়ের জুতোর নিচে রাখি। আর বিজেপি শুধু অখিল গিরির মন্তব্য নিয়ে রাজনীতি করবে দুটো তো হতে পারে না।
অখিল গিরির রাগের মাথায় যা বলেছেন অন্যায় করেছেন । আমরা তার তীব্র নিন্দা করছি। হ্যাঁ, অখিল গিরি ভুল বলেছেন, অন্যায় করেছেন । কিন্তু বিজেপি আগে শুভেন্দুর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাক। বীরবাহা হাঁসদা রাজ্যের মন্ত্রী, জঙ্গলকন্যা। তাকে কোন সাহসে শুভেন্দু বলে যে আমার জুতার নিচে থাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন , ও দিদি ,বারমুডা পরাবো ,জুতার নিচে রাখি। কই এই মন্তব্যগুলোর সময় তো বিজেপির কোনও বক্তব্য নেই ‌ আমরা তো দলীয় তরফ থেকে অখিল গিরির মন্তব্যের বিরোধিতা করে বক্তব্য রেখেছি।
সকালে শুভেন্দুর বাড়িতে যারা ফুল দিতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সেই যুব সমর্থকদের পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, কারো যদি পাগলামি থাকে তার সুস্থতা কামনা করে কেউ যদি ফুল দিতে যায় সে কথা এখানে কিভাবে বলব।পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে।

মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে নয় সারাদেশে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। ডিজেল, পেট্রোল, কেরোসিন , ওষুধ,সার সবকিছুর দাম বেড়েছে। যারা মতুয়া সম্প্রদায়ের হয়ে দরদি সাজছেন তারা সেদিন কোথায় ছিলেন? যখন বড়মা অসুস্থ ছিলেন দিনের পর দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার সুস্থতা কামনায় গিয়েছেন, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
এদিন কুণাল স্পষ্ট জানান, বিজেপির নেতারা বাংলায় থেকে দিল্লিকে বলছে বাংলাকে পয়সা দিওনা। এটা বিশ্বাসঘাতকতা নয় ? যারা বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা করছে তাদের সেই অপচেষ্টা কোনওদিন সফল হবে না।

Previous articleবেআইনিভাবে বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে সৌরভকে! জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টে