কালীঘাটে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার !

একদিকে যখন রাজ্য সরকার ক্রমাগত নিয়োগ জট কাটিয়ে সমস্যা সমাধানের পথে হাঁটতে চাইছে, তখন বারবার এই ধরনের বিক্ষোভ কি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ,প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

মহানগরীর (Kolkata) বুকে ফের উত্তেজনা। নিয়োগের দাবিতে রাজপথে নেমে পড়লেন উচ্চমাধ্যমিকের (Higher secondary) চাকরিপ্রার্থীরা। আন্দোলনকারীরা কালীঘাট (Kalighat Metro) ও যতীন দাস পার্ক মেট্রো স্টেশন (Jatin Das Park Metro) থেকে বেরিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। এর জেরে ধুন্ধুমার কান্ড কালীঘাটে। সোজা মুখ্যমন্ত্রীর (CM) বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ (Police) বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। ডিসি সাউস আকাশ মাঘারিয়ার (Akash Magharia) নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পোঁছে যায় ঘটনাস্থলে।

চাকরি প্রার্থীরা মূলত দেখা করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে। তবে বর্তমানে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) সফরে গিয়েছেন তিনি। তবে চাকরি প্রার্থীরা এই হাই-সিকিউরিটি এলাকাকেই বেছে নেন বিক্ষোভ দেখানোর জন্য। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাঁরা পুলিশের কথার কোনও আমল দেননি বলে অভিযোগ। বিশৃঙ্খলা তৈরীর চেষ্টা করায় বেশ কিছু বিক্ষোভকারীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। অন্যদিকে আজ ধর্মতলায় চপ ভেজে, ঝালমুড়ি বিক্রি করে প্রতিটি প্রতিবাদ গ্রুপ ডি (Group D) চাকরিপ্রার্থীদের। একদিকে যখন রাজ্য সরকার ক্রমাগত নিয়োগ জট কাটিয়ে সমস্যা সমাধানের পথে হাঁটতে চাইছে, তখন বারবার এই ধরনের বিক্ষোভ কি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ,প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের। কার্যত পুলিশকে বারবার ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।

এর আগে ক্যামাক স্ট্রিট (Camac Street) চত্বর যখন টেট প্রার্থীদের আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তখনো পুলিশ প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতির সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে তা যথেষ্ট উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল। এদিন সকাল থেকেই সতর্ক ছিল পুলিশ প্রশাসন। কোন রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগেভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

Previous articleসব ভারতীয় ‘হিন্দু’ , সবার ডিএনএ এক: মন্তব্য মোহন ভাগবতের