Tuesday, April 21, 2026

মৃ*ত্যুতেও সম্প্রীতির বার্তা! অভিনব উদ্যোগ হায়দরাবাদে

Date:

Share post:

কবিগুরু বলেছিলেন, “নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান, বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান।” অর্থাৎ ভারতবর্ষ জুড়ে বৈচিত্র্য আর তার মধ্যেও সম্প্রীতির বার্তা। ঠিক সেই ছবি ধরা পড়ল সৎকার স্থানে (Cremation Ground)। হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টানদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে একটিই সৎকার স্থান । অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছে হায়দরাবাদে মেট্রোপলিটান ডেভলপমেন্ট অথরিটি (Hyderabad Metropolitan Development Authority)। প্রায় সাড়ে ছয় একর জমি জুড়ে তৈরি হয়েছে সৎকারের স্থান (Cremation Ground)।

জীবদ্দশায় প্রত্যেকের পৃথক ধর্মবিশ্বাস থাকলেও ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারতবর্ষ তার নাগরিকদের স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্ম নিয়ে থাকতে পারেন। তাহলেই মৃত্যুতেই বা বিভেদ কিসের? মৃ*ত্যুর পর অবিনশ্বর আত্মাও মিলতে পারে একই গন্তব্যে। এই ভাবনা থেকেই চিরাচরিত ছক ভাঙার উদ্যোগ নিল হায়দরাবাদ। প্রত্যেক ধর্মের মানুষদের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা জায়গা। কিন্তু শেষকৃত্য প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে একই প্রাঙ্গণের মধ্যে। সূত্রের খবর, যে জায়গায় সৎকার স্থান নির্মিত হয়েছে একসময় সেটি ছিল জঞ্জাল স্তুপ। নির্মাণ কাজের অব্যবহৃত সামগ্রী সেখানে ফেলে রাখা হত। সেই স্তুপ সরিয়েই জায়গাটিকে নতুন ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। প্রত্যেক ধর্মের সৎকারের জন্য পৃথক পৃথক অফিস গড়ে তোলা হয়েছে। রয়েছে প্রার্থনার জায়গাও। হিন্দুদের শ্মশান স্থানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মুক্তি-ঘাট’। আড়াই একর জায়গা জুড়ে তৈরি এই শ্মশান। রয়েছে দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লি (Electric furnace)। পাশাপাশি দাহ পরবর্তী সময়ে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্নের জন্যও রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। এর পাশেই রয়েছে মুসলমান ও খ্রিস্টানদের জন্য কবরস্থান। প্রত্যেক ক্ষেত্রে বরাদ্দ হয়েছে দুই একর জায়গা। মৃ*ত্যুতেও যে সম্প্রীতির বার্তা বহন করা যায় তা যেন মনে করিয়ে দিতেই ছক ভাঙার এই উদ্যোগ।

 

Related articles

তৃণমূল নেত্রীকে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা! পতাকা-প্রতীক ছাড়াই আড্ডা মমতার

কখনও হেলিকপ্টার উড়তে বাধা। কখনও সভা করতেই অনুমতি নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হরেক নিয়ম লাগু করার জন্যই নির্বাচন...

প্রথম দফায় ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং! ১৫২ আসনে ভোট, কড়া নজর কমিশনের

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট মেনেই রাজ্যে বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে এই দফায় জনমত প্রতিফলিত...

কমিশনের সাঁজোয়া গাড়ির পরে রাজ্যপালের হেল্পলাইন নম্বর: শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি

বাংলার নির্বাচনে ভোটারদের ভোট দেওয়া ছাড়া আর সবই প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। একদিকে বুথে পৌঁছাতে প্রায়...

দ্বিতীয় দফায় আরও আঁটসাঁট নিরাপত্তা, পূর্ব মেদিনীপুর ও কলকাতায় মোতায়েন বিপুল বাহিনী 

দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রস্তুতিতে কোমর বেঁধে নামল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে শান্তি বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা...