তাঁতিদের ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার কড়া নির্দেশ নবান্নের

যত বেশি সংখ্যক হস্তশিল্পীকে ঋণ দেওয়া যাবে ততই তাঁতশিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে। তাই এইদিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথাই নবান্নর তরফে জেলাশাসকের জানানো হয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্পের দিকে নজর দেওয়ার এবং সেই মতো উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর কথাতেই স্পষ্ট যে তাঁতিরা (weavers) যাতে সহজে ক্রেডিট কার্ডের (Credit card) মাধ্যমে ঋণ নিতে পারে সেটা দ্রুত নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এবার যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করার জন্য জেলা শাসকের (DM) সতর্ক করল নবান্ন (Nabanna)।

ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য রাজ্যের তরফে তাঁতিদের আবেদন করার কথা বলা হয়েছিল। সেইমতো প্রায় ৪৮ হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মাত্র ১২ হাজার কার্ড দেওয়া সম্ভব হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর প‌্যান কার্ড না থাকায় তাঁতিদের ক্রেডিট কার্ড পেতে সমস‌্যা হচ্ছে। আগেই এই ব‌্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার (Government of West Bengal) ও রিজার্ভ ব্যাংককে (Reserve Bank of India) চিঠি দিয়েছে রাজ‌্য। এবার কড়া বার্তা গেল জেলাশাসকদের কাছেও। মঙ্গলবারই এই বিষয়ে নিয়ে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে অন্তত আড়াই লক্ষ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থা যাতে ঋণ পায় সেই টার্গেটও বেঁধে দেন তিনি। ‘স্কচ’-এর ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে রাজ্যের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটিরশিল্প। যদিও এর অনেক আগে থেকেই বাংলার হস্তশিল্পকে বিশ্বজনীন করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। পাশাপাশি রাজ্যের হস্তশিল্পীদের আয় বাড়াতে মঞ্জুশ্রীর তত্ত্বাবধানে স্কুল ইউনিফর্ম তৈরির জন‌্য ‘বাংলাশ্রী’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয় যা অত্যন্ত সফল বলেই প্রমাণিত হয়েছে। যত বেশি সংখ্যক হস্তশিল্পীকে ঋণ দেওয়া যাবে ততই তাঁতশিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে। তাই এইদিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথাই নবান্নর তরফে জেলাশাসকের জানানো হয়েছে।

Previous articleনিজের বায়োপিকের স্ক্রিপ্ট নিজেই লিখবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়