Wednesday, June 3, 2026

মণিপুরকে নতুন করে অ.শান্ত করার অভিযোগ! পুলিশের জালে বিজেপি নেতা   

Date:

Share post:

ফের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি মণিপুরে (Manipur Violence)। রবিবার রাত থেকেই ফের নতুন করে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে ইম্ফলের (Imphal) চেকন এলাকায়। স্থানীয় বাজারের দখল নিয়ে মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের জেরেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এলাকায়। লুঠপাট চলছে দোকানপাট, ঘর-বাড়িতে। কিছু কিছু বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে ইম্ফলে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং (Chief Minister N Biren Singh) জানিয়েছেন এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি হিংসার ঘটনায় রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক ও মণিপুর বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তেলভুম থাংজালাম হাওকিপ (Telvum Thangzalang Haokip) সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে ফের নতুন করে উত্তেজনার গ্রাসে পার্বত্য রাজ্য মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের ইম্ফল পূর্ব জেলায়। যার জেরে কার্ফু শিথিলতা হ্রাস করা হয়েছে। ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সশস্ত্র রক্ষীদের টহলদারি। এদিকে নিউ চেকন বাজার এলাকায় ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সরকার মতে, মণিপুর সাম্প্রতিক হিংসায় মৃত্যুর ঘটনা ইতিমধ্যেই ৭৪-এ পৌঁছেছে। সম্প্রতি মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলায় মেইতেই ও কুকি উপজাতিদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করেছিল। যার জেরে ব্যাপক হানাহানি গোটা মণিপুরে ছড়িয়ে পড়ে। রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে পরিস্থিতি সামলাতে কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক করতে হয় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীকে।

পরে আধাসামরিক বাহিনী এবং সেনাবাহিনী কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবুও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হয়নি। এরপর বেশ কিছুদিন সব চুপচাপ থাকলেও, ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে এই পার্বত্য রাজ্যে। নিউ চেকন বাজার এলাকায় হিংসার ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক ও মণিপুর বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তেলভুম থাংজালাম হাওকিপ।

তবে মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং সাংবাদিকদের সাফ জানিয়েছেন, তিনজনকে দোকানদারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাওকিপ ২০১৭ সালে বিজেপির চুরাচাঁদপুর জেলার হেঙ্গলেপ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। ২০২০ সালে, তিনি, অন্য দুই বিধায়কের সঙ্গে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। তবে, ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, তিনি শিবসেনায় যোগ দেন। কংগ্রেসের টিকিটে হেঙ্গলেপ আসনে ১৯৯৮ সালের উপনির্বাচনে জয়লাভ করায় তাকে বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়।

 

 

 

Related articles

ফিরহাদের পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ, সম্মতি নেত্রীর

কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রেও এই ঘটনা ঘটছে বারবার। এই পরিস্থিতিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। এবং সম্মানজনক...

তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রতই বিধানসভায় ‘বিরোধী দলনেতা’! মমতাকে পরামর্শদাতা চান বিদ্রোহী বিধায়করা

তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) তাঁদের দলনেত্রী। বুধবার, দিনভর টানাপোড়েনের পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার...

কলেজ স্ট্রিটের উচ্ছেদ-আতঙ্ক নিয়ে দ্বিমত বিক্রেতারা, প্রতিবাদে বই প্রেমীরা

পালা বদলের পরই একাধিক রেল স্টেশন সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে হকার উচ্ছেদ। তার রেশ ধরে বিগত...

প্রত্যশা মতোই কর্নাটকের মসনদে শিবকুমার, মন্ত্রিসভায় সিদ্দারামাইয়ার পুত্রসহ ১২

কর্নাটকের ২৫তম মুখ্যমন্ত্রী (25th CM of Karnataka) হিসেবে শপথ নিলেন কংগ্রেসের নবনির্বাচিত পরিষদীয় দলনেতা ডিকে শিবকুমার (DK Shivkumar)।...