বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই কামদুনি মামলায় (Kamduni Case) কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) গেছে রাজ্য। তার মাঝেই কামদুনি নিয়ে বিরোধীদের রাজনৈতিক ফায়দা তোলার প্রচেষ্টা শুরু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আজ কামদুনিতে যাচ্ছেন বলে খবর। সেখানে বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যদের নিয়ে মিছিল হবে। দুপুর একটা নাগাদ সেই মিছিল শুরু হওয়ার কথা। নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari)। গতকাল টুম্পা কয়াল, মৌসুমি কয়ালদের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। এরপরই কামদুনির প্রতিবাদীরা কলকাতার রাস্তায় মিছিল করার কথা জানান। আজ ভিক্টোরিয়া হাউজ থেকে গান্ধীমূর্তি পর্যন্ত এই মিছিল হবে। বেলা ৩টে থেকে এই মিছিল শুরু হবে বলে খবর।


হাইকোর্টে দোষীদের ছাড়া পাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেইমতো কামদুনিতে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেন সিআইডি অফিসারেরা। এরপর এই ঘটনাকে নিয়ে রাজনীতি করতে আসরে নামে বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধীরা।কামদুনির ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শুক্রবার রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাই কোর্ট। এই মামলায় যে তিনজনকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত, মধ্যে এক জনকে বেকসুর খালাস করে হাই কোর্ট। বাকি দু’জনের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি আরও চার দোষী সাব্যস্তের সাজাও মকুব করে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী সঞ্জয় বসু (Sanjay Basu) জানান, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল বিষয়টিকে সর্বোচ্চ আদালতে তোলার জন্য।” সোমবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের (Division Bencg) রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (Special Leave Petition) দাখিল করে রাজ্য। সুপ্রিম কোর্ট এখনই হাই কোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ না দিলেও এদিন বেশ কয়েকটি নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।









