Saturday, May 16, 2026

সুরেলা আমেজে ‘জাগোবাংলা’র উৎসব সংখ্যা প্রকাশ: ভার্চুয়াল মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী, মঞ্চে অভিষেক

Date:

Share post:

জমজমাট অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হল ‘জাগোবাংলা’র উৎসব সংখ্যা। পায়ে চোটের কারণে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। ভার্চুয়াল মাধ্যমে উৎসব সংখ্যার প্রকাশ করেন তিনি। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Bandyopadhyay)। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্তই অনুষ্ঠানে ছিল সুরেলা আমেজ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাওয়া গান দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। রাজ্যের দুই মন্ত্রী-গায়ক ইন্দ্রনীল সেন ও বাবুল সুপ্রিয় সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান করেন ‘জয়ী’ ব্যান্ডের সদস্যরা।

 

শনিবার নজরুল মঞ্চে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Bandopadhyay)। মঞ্চে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, শান্তনু সেন, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম, তাপস রায়, বাবুল সুপ্রিয়, ইন্দ্রনীল সেন, ব্রাত্য বসু-সহ আরও দলীয় নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে স্মারক গ্রহণ করেন সুব্রত বক্সি।  স্মারক তুলে দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়,  সুব্রত বক্সির হাতেও।

মুখ্যমন্ত্রী গানের পরেই পুজোর গান শোনান রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় রামপ্রসাদের গান শোনান। এছাড়া “আরও দাও” গানটি শোনান তৃষা পাড়ুই। বেশ কয়েকটি গান গায় ‘জয়ী’ ব্যান্ড।

জাগোবাংলার প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টিম জাগোবাংলাকে ধন্যবাদ জানান সুব্রত বক্সি।

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...