Monday, June 15, 2026

 মহারাষ্ট্রের স্পিকারের ‘আসল সেনা’ আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে  উদ্ধব ঠাকরে

Date:

Share post:

মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়টি ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে চলেছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা বুধবার (১০জানুয়ারি) বলেছে যে বিধায়কদের ‘অযোগ্য ঘোষণার’ বিষয়ে স্পিকার রাহুল নরওয়েকারের সিদ্ধান্তের বিরোধীতায় তারা সুপ্রিম কোর্টে যাবে। স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে উদ্ধব ঠাকরে শিবির। আর স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্ধব। উদ্ধব এবং শিন্দে শিবিরের দায়ের করা আবেদনের রায় দেওয়ার সময় রাহুল নরওয়েকার বলেছিলেন যে একনাথ শিন্দে শিবিরই ‘আসল শিবসেনা’।

মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার রাহুল নারওয়েকরের একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন দল কে ‘আসল শিবসেনা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠী।মহারাষ্ট্রের স্পিকার, শিন্দে শিবিরের ১৬ জন বিধায়কের অযোগ্যতা চেয়ে উদ্ধব গোষ্ঠীর আবেদনও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। গত ১০ জানুয়ারি, নারওয়েকর ঘোষণা করেছিলেন যে ২০২২ সালে বাল ঠাকরে দ্বারা প্রতিষ্ঠিত দলটি বিভক্ত হওয়ার পরে শিন্দে গোষ্ঠীই আসল শিবসেনা। স্পিকার এও রায় দিয়েছিলেন যে ঠাকরের শিন্ডেকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তিনি বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী এবং শিবসেনার সংবিধান অনুযায়ী আইনসভার দলের নেতা।

স্পিকার আরও ঘোষণা করেছিলেন যে কোনও দলের নেতৃত্ব সংবিধানের দশম  তফসিলের বিধানগুলি ব্যবহার করতে পারে না (দলত্যাগ বিরোধী আইন) দলের মধ্যে ভিন্নমত বা শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে।স্পিকার উল্লেখ করেছিলেন, ২০২২ সালের জুনে দল বিভক্ত হওয়ার সময় মোট ৫৪ জন সেনা বিধায়কের মধ্যে ৩৭ জনের সমর্থন ছিল একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীর প্রতি। নির্বাচন কমিশন ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে শিন্দের নেতৃত্বাধীন দলকে ‘শিবসেনা’ নাম এবং ‘ধনুক এবং তীর’ প্রতীক দিয়েছিল।বিধানসভা স্পিকারের এই রায় কে সুপ্রিম কোর্টের অপমান বলে অভিহিত করে ঠাকরে দাবি করেছেন যে স্পিকার আদেশটি বুঝতে পারেননি।

উদ্ধব ঠাকরে তার আবেদনে বলেছেন,  “আমি মনে করি বিধানসভার স্পিকার ম্যান্ডেট (সুপ্রিম কোর্টের) বুঝতে পারেননি — তাকে যা করতে বলা হয়েছিল। এটি অযোগ্যতার একটি সাধারণ মামলা ছিল। সুপ্রিম কোর্ট একটি কাঠামো তৈরি করেছিল, কিন্তু স্পিকার ভেবেছিলেন যে তিনি সুপ্রিম কোর্টের ঊর্ধ্বে এবং নিজের আদালত এবং রায় নিয়ে এসেছেন।” উল্লেখ্য, সেনা (ইউবিটি) প্রধান, ২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন যখন শিন্দে বিদ্রোহ করেছিলেন বিজেপির সাহায্য নিয়ে।

Related articles

NCPI-তে যোগ দলত্যাগী সাংসদদের: ব্যাঙের ছাতায় কেন, প্রশ্ন তৃণমূলের

লোকসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ দেখিয়ে নিজেদের দল ছেড়ে এনডিএকে সমর্থনের দাবি করেছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। শেষ...

নেহরুর রেকর্ড ভেঙে মোদির একযুগ: ঋণের পাহাড়, বেকারত্ব ও প্রশ্নফাঁসের ১২ বছর 

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে পিছনে ফেলে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিদিনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। দেশজুড়ে বিজেপির ধান্দাবাজ...

পেট্রোল-ডিজেল ছাড়া ইথানলেই গাড়ি! গড়কড়ির সিদ্ধান্তে সংকটে দেশ

এবার দেশে ১০০ শতাংশ ইথানলে (E100) গাড়ি চালানোর সবুজ সংকেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি...

চাপের কাছে ‘বেসামাল’ হয়েই বিদ্রোহী শিবিরে সুদীপ! ‘বিশ্বাসঘাতক’ দাবি কুণালের

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রবিবার রেবেল তৃণমূলদের সঙ্গে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে দেখা গেল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। তৃণমূলের সঙ্গ ছেড়ে...