Saturday, May 30, 2026

“কেন আটকে রেখেছেন? বিজেপি বললে ছাড়বেন?” নির্বাচন কমিশনকে কেন আক্রমণ মমতার

Date:

Share post:

মিনি টর্নেডোয় লন্ডভন্ড জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বেশ কিছু এলাকা। কমপক্ষে ৫জনের মৃত্য হয়েছে। আহত ২০০-র বেশি মানুষ। ৫ হাজার বাড়ি ধুলিস্যাৎ। ঘটনার খবর পেয়েই দুর্যোগের রাতে ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু নির্বাচনী আচরণ বিধি থাকায় কিছুই করতে পারা যাচ্ছে না। প্রশাসনের তরফে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারকে কিছু করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় অনুমতি এখনও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার, প্রথমে কোচবিহারের (Coochbehar) মাথাভাঙা ও পরে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) মালের প্রচার সভা থেকে এই প্রসঙ্গে ফুঁসে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, “কেন আটকে রেখেছেন? বিজেপি বললে তার পর ছাড়বেন?”

রবিবার রাতেই বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িতে গিয়েছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন প্রশাসন সব সাহায্য করবে। আশ্বাস দিয়েছেন ভেঙে পড়া বাড়ি তৈরি করে দেবে রাজ্য সরকার। কিন্তু নির্বাচনী বিধি জারি থাকায় রাজ্য সরকার সরাসরি অর্থ সাহায্য করতে পারছে না। প্রশাসনের মাধ্যমে এই কাজ করতেও কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন। কিন্তু সেই অনুমতিই এখনও মেলেনি। তৃণমূল সভানেত্রী বলেন, “৫ হাজার বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। আমরাই করে দেব। নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ, এটাকে ঝুলিয়ে রাখবেন না। মানুষগুলো রাস্তায় পড়ে রয়েছে। স্কুলে পড়ে রয়েছে।” মমতার কথায়, “সরকার প্রশাসনের হাত দিয়ে টাকাটা দিতে পারলে, প্রশাসন বাড়িগুলো করে দেবে। যেহেতু নির্বাচন আছে তাই এটা প্রশাসন করবে।”

এর পরই প্রবল আক্রমণ করে মমতা বলেন, ”কেন আটকে রেখেছেন? বিজেপি বললে তার পর ছাড়বেন?”

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কীভাবে দুর্যোগের পরেই রাতের বিমানে গভীর রাতে বাগডোগরা ও সেখান থেকে জলপাইগুড়ি পৌঁছন। সেখান থেকে যান স্বজনহারা পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে। সেখান থেকে হাসপাতাল। কথা বলেন, আহতদের সঙ্গে। ঘড়ির কাটা তখন পরিয়েছে প্রায় একটা। মুখ্যমন্ত্রী যান ত্রাণ শিবিরে। পাশে থাকার আশ্বাস দেন দুর্গতদের। সেখান থেকেই রাত প্রায় ৩টে নাগাদ যান বার্নিশে, যেখানে ঝড়ের তাণ্ডবে বহু বাড়ি মাটিতে মিশে গিয়েছে। প্রায় সারারাত সব দেখে ভোট চারটে নাগাদ চালসায় থাকার জায়গায় ফেরেন মমতা। জলপাইগুড়ির প্রশাসন, ডাক্তার, নার্স এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চেষ্টায় অনেকের প্রাণ বেঁচেছে। তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানান মুখঅযমন্ত্রী। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও গিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেছেন।




Related articles

চন্দননগর পুরনিগমে মেয়র-সহ ৩০ কাউন্সিলরের পদত্যাগ

হুগলির চন্দননগরে (Chandannagar, Hooghly) ভেঙ্গে গেল পুরবোর্ড। শুক্রবার পুরনিগমের মেয়র-সহ ৩০ জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন৷ ফলে ৩৩...

পথে-প্রতিবাদে তৃণমূল সুপ্রিমো, মমতার কর্মসূচির কথা জানিয়ে চিঠি গেল পুলিশে

ভোটের ফলপ্রকাশের প্রায় একমাস পর প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আগামী ২...

বেআইনিভাবে সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে আটক নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান 

নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যানের বাসভবনের পাশেই অবস্থিত ক্লাবে বেআইনিভাবে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে মজুত করে...

রাজ্যে আসছে বিনিয়োগ! হাওড়ায় বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়তে চলেছে ‘আমূল’

‘বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট’ (BGBS) ২০২৫-এর মঞ্চেই সবটা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। এবার বাস্তব রূপায়ণের পালা। বাংলার ডেয়ারি শিল্পে...