ভিস্তারা এয়ারলাইন্সে পাইলট সঙ্কট। যার জেরে দেশ জুড়ে ভিস্তারার গণছুটিতে পাইলটরা, দু’দিনে বাতিল ৯০টি বিমান।এখনও পর্যন্ত মুম্বই থেকে ২৬টি, দিল্লি থেকে ২৯টি এবং ৩৫টি বিমান বাতিল হয়েছে বেঙ্গালুরু থেকে। প্রসঙ্গত, সোমবারই ৫০টির বেশি বিমান বাতিলের পাশাপাশি ১৬০টি বিমান দেরিতে উড়েছিল। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ভিস্তারা সংস্থার তরফে কর্মীদের জন্য নয়া বেতন কাঠামো তৈরি হয়েছে। তাতেই ক্ষুব্ধ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মী ও পাইলটরা। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে একসঙ্গে ছুটি নিয়েছেন অসংখ্য পাইলট। ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বলেছেন, সাম্প্রতিক সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে অস্থায়ীভাবে একাধিক বিমান বাতিল করতে হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী পরিষেবা জারি রাখতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি যত দ্রুত সম্ভব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

যাত্রীদের এই সমস্যার জন্য কর্তৃপক্ষের তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। তবে সংস্থার দাবি, সাম্প্রতিক সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে বেশি সংখ্যক যাত্রী একত্রে পরিবহণের জন্য বড় বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিমানেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যে বিমানগুলি বাতিল হয়েছে তার ভাড়া যাত্রীদের ফেরত দেওয়া হবে। ভিস্তারার তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কর্মীর অভাব-সহ একাধিক কারণে গত কয়েক দিন ধরে যথেষ্ট সংখ্যক বিমান বাতিল থাকছে এবং বিমান অবতরণ এবং ছাড়ার ক্ষেত্রে দেরি হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাসও দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে লাভ বিশেষ কিছুই হয়নি। বরং কর্মী সঙ্কটের জেরে প্রায় প্রতিদিনই একাধিক বিমান বাতিল হচ্ছে।
এর মধ্যেই ভিস্তারার বিমান বাতিল নিয়ে সংস্থাটির কাছে সবিস্তার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে কর্মী সঙ্কটের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এ নিয়ে ভিস্তারার কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন। কেন এত বিমান বাতিল করতে হচ্ছে, এত টাকা দিয়ে টিকিট কিনেও কেন হেনস্তা হতে হচ্ছে যাত্রীদের, তার কারণ জানতে চেয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, সংস্থার তরফে সব পাইলটদের একটি মেল পাঠিয়ে দ্রুত নতুন বেতন কাঠামোয় সই করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় কড়া পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। আর তাতেই বেঁকে বসেন পাইলটদের একাংশ। ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বলেছেন ‘সাম্প্রতিক সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে অস্থায়ীভাবে একাধিক বিমান বাতিল করতে হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে এবং সামর্থ অনুযায়ী পরিষেবা জারি রাখতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি যত দ্রুত সম্ভব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’













