Saturday, February 7, 2026

ডায়মন্ড হারবার মডেল: শুধু বাংলায় নয়, দেশের মধ্যে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী অভিষেক

Date:

Share post:

২০০৪-এর বাম নেতা অনিল বসুর জয়ের ব্যবধানকেও টপকে গেলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শেষ পাওযা খবর অনুযায়ী, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে ৭ লক্ষের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী অভিষেক। এর আগে বাংলায় রেকর্ড ছিল অনিল বসুর। ২০০৪ সালে আরামবাগ কেন্দ্র ৫ লক্ষ ৯২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন তৎকালীন বাম নেতা। কিন্তু সেই রেকর্ড ভাঙলেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যেও এটা রেকর্ড। জয় হল তাঁর ডায়মন্ড হারবার মডেলের।রাজ্য়ের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সবার নজয় ছিল ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour)। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেকের জয় নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না বিরোধী শিবিরও। কিন্তু অলোচনায় ছিল জয়ের ব্যবধান। প্রচারে বারবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলার ৪২টি আসন এবং দেশের ৫৪৩ টি আসন মধ্যে ডায়মন্ড হারবার জয়ের ব্যবধানে এক নম্বরে থাকবে। আর ফলে প্রকাশের পর সেটাই দেখা গেল। দেশের মধ্যে জয়ের ব্যবধানেও রেকর্ড গড়ল ডায়মন্ড হারবার।নিজের কেন্দ্র নিয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তাঁর কথায়, “বিরোধীদের জিজ্ঞেস করুন কোভিডের সময় কথায় ছিলেন? অপরিকল্পিত লক ডাউনে আমি এখানকার কোনও মানুষকে অভুক্ত থাকতে দিইনি। কোভিডে রেকর্ড টেস্ট করিয়ে ডায়মন্ড হারবার মডেল তৈরি হয়েছে।“ কাজের খতিয়ান দিয়ে অভিষেক জানান, “১০ বছরে ৫৫৮০ কোটি কাজ টাকার হয়েছে। বলেন, আমি নিঃশব্দ বিপ্লব বই প্রকাশ করে সবটা পুঙ্কানুপুঙ্ক হিসেব দিয়েছি। এখানকার মানুষের পাশে এই পরিবারের ছেলেটাই ছিল আছে, থাকবে। ফলতা মথুরাপুর দেশের মধ্যে সবথেকে বড় জলের প্রোজেক্ট আমি এনেছি। এক মাসে ৪৫ কোটি টাকার কাজ দিয়েছে। আগামী ১০ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ হবে। প্রতি বছর ১ কোটি টাকার কাজের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি।“ বিজেপিকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেছিলেন, “ভোট ঘোষণা হওয়ার একমাস পর প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। কী অবস্থা ভাবুন! প্রার্থী খুঁজে না পেলে কি আমার দোষ? চাইলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, ইডি-সিবিআই ডিরেক্টর যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাকে হারানো অত সহজ নয়। কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার মানুষের হৃদয়ে আকাশে-বাতাসে রয়েছে। তাকে সরানো সহজ নয়। ঝড়ে- তুফানে, কোভিডের দুঃসহ সময়ে কোথায় ছিল বিজেপি-সিপিএম? মানুষের পাশে ছিল একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী দিনেও তৃণমূল কংগ্রেসই দুঃখে-বিপদে মানুষের পাশেই থাকবে।“

আর সেই কেন্দ্রেই শুধু রাজ্য নয়, দেশের মধ্যেও রেকর্ড মার্জিনে জয়ী হলেন অভিষেক। জয় হল তাঁর ডায়মন্ড হারবার মডেলের।







spot_img

Related articles

এখনই সিনিয়র দলে সুযোগ পাবেন না বৈভব, নেপথ্যে আইসিসির নিয়ম

ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএলে নজর কাড়ার পর যুব বিশ্বকাপের মঞ্চেও নিজের জাত চিনিয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। অনূর্ধ্ব ১৯...

পাকিস্তানে মসজিদে হামলা ISIS-এর: দায় স্বীকার, স্বস্তি ভারতের

পাকিস্তানে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে তা ভারতের উপর দায় চাপিয়ে দেওয়ার রীতি শাহবাজ শরিফ সরকার নিয়েছে। রাজধানী ইসলামাবাদেই আত্মঘাতী...

গগন-সীতার জোয়ার ভাঁটা

কুণাল ঘোষ চন্দন সেনের 'দায়বদ্ধ'কে যেভাবে ফিরিয়ে আনল 'বাংলা অপেরা', তারিফ করার মত। ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে পঞ্চাশতম শো-টি দেখলাম।...

SIR হয়রানি মধ্যপ্রদেশে: গরীব বলে তালিকায় ‘মৃত’ মা-ছেলে! নথি পুড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

আসলে গরীব অসহায় মানুষ নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত যে গোটা দেশে এসআইআর করে চালাচ্ছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন,...