Tuesday, May 19, 2026

ডায়মন্ড হারবার মডেল: শুধু বাংলায় নয়, দেশের মধ্যে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী অভিষেক

Date:

Share post:

২০০৪-এর বাম নেতা অনিল বসুর জয়ের ব্যবধানকেও টপকে গেলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শেষ পাওযা খবর অনুযায়ী, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে ৭ লক্ষের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী অভিষেক। এর আগে বাংলায় রেকর্ড ছিল অনিল বসুর। ২০০৪ সালে আরামবাগ কেন্দ্র ৫ লক্ষ ৯২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন তৎকালীন বাম নেতা। কিন্তু সেই রেকর্ড ভাঙলেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যেও এটা রেকর্ড। জয় হল তাঁর ডায়মন্ড হারবার মডেলের।রাজ্য়ের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সবার নজয় ছিল ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour)। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেকের জয় নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না বিরোধী শিবিরও। কিন্তু অলোচনায় ছিল জয়ের ব্যবধান। প্রচারে বারবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলার ৪২টি আসন এবং দেশের ৫৪৩ টি আসন মধ্যে ডায়মন্ড হারবার জয়ের ব্যবধানে এক নম্বরে থাকবে। আর ফলে প্রকাশের পর সেটাই দেখা গেল। দেশের মধ্যে জয়ের ব্যবধানেও রেকর্ড গড়ল ডায়মন্ড হারবার।নিজের কেন্দ্র নিয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তাঁর কথায়, “বিরোধীদের জিজ্ঞেস করুন কোভিডের সময় কথায় ছিলেন? অপরিকল্পিত লক ডাউনে আমি এখানকার কোনও মানুষকে অভুক্ত থাকতে দিইনি। কোভিডে রেকর্ড টেস্ট করিয়ে ডায়মন্ড হারবার মডেল তৈরি হয়েছে।“ কাজের খতিয়ান দিয়ে অভিষেক জানান, “১০ বছরে ৫৫৮০ কোটি কাজ টাকার হয়েছে। বলেন, আমি নিঃশব্দ বিপ্লব বই প্রকাশ করে সবটা পুঙ্কানুপুঙ্ক হিসেব দিয়েছি। এখানকার মানুষের পাশে এই পরিবারের ছেলেটাই ছিল আছে, থাকবে। ফলতা মথুরাপুর দেশের মধ্যে সবথেকে বড় জলের প্রোজেক্ট আমি এনেছি। এক মাসে ৪৫ কোটি টাকার কাজ দিয়েছে। আগামী ১০ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ হবে। প্রতি বছর ১ কোটি টাকার কাজের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি।“ বিজেপিকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেছিলেন, “ভোট ঘোষণা হওয়ার একমাস পর প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। কী অবস্থা ভাবুন! প্রার্থী খুঁজে না পেলে কি আমার দোষ? চাইলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, ইডি-সিবিআই ডিরেক্টর যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাকে হারানো অত সহজ নয়। কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার মানুষের হৃদয়ে আকাশে-বাতাসে রয়েছে। তাকে সরানো সহজ নয়। ঝড়ে- তুফানে, কোভিডের দুঃসহ সময়ে কোথায় ছিল বিজেপি-সিপিএম? মানুষের পাশে ছিল একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী দিনেও তৃণমূল কংগ্রেসই দুঃখে-বিপদে মানুষের পাশেই থাকবে।“

আর সেই কেন্দ্রেই শুধু রাজ্য নয়, দেশের মধ্যেও রেকর্ড মার্জিনে জয়ী হলেন অভিষেক। জয় হল তাঁর ডায়মন্ড হারবার মডেলের।







Related articles

কাটমানি থেকে দেহ ব্যবসা: একের পর এক গ্রেফতারি রাজ্যে

বাংলার ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি দুর্নীতি নিরোধে বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। রাজ্য পুলিশকে সেই কাজে তৎপর করে তোলা হয়েছে।...

ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামোর উন্নতিতে জোর নিশীথের, বাড়ল আর্থিক পুরস্কারের অঙ্কও

বিগত ১৫ বছরে খেলাধূলায় পিছিয়ে পড়া বাংলাকে চাগিয়ে তুলতে আসরে নতুন ক্রীড়া দফতর। খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে একাধিক নতুন...

সংরক্ষণে কাটছাঁট: প্রকাশিত রাজ্যের নতুন ওবিসি তালিকা

কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত বারবার পূর্বতন রাজ্য সরকার ও বর্তমান শাসক দল লড়াই চালিয়েছিল ওবিসি সংরক্ষণের স্বচ্ছ তালিকা...

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের আধিকারিকের রহস্যমৃত্যু

বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনের এক আধিকারিকের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের খুলশি এলাকায় ভারতের সহকারী হাইকমিশনের অফিস থেকে ওই...