আর জি কর মেডিক্যালে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের এক মাস পার। এখনও অধরা বিচার। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি। তার আগে রবিবার ফের রাত দখল। স্বাধীনতার দিবসের ঠিক আগের দিন কলকাতা শহরে ‘রাতদখল’-এর ডাক দিয়েছিলেন মহিলারা। রবিবার আবার সেই ডাকে পথে নেমেছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। আবার রাতের দখল নিতে চলেছেন মহিলারা। শ্যামবাজার থেকে সিঁথির মোড়, যাদবপুর থেকে সল্টলেক— রাত ১১টার পর থেকে নতুন করে জমায়েত শুরু হচ্ছে সর্বত্র।


রাস্তাকেই ক্যানভাস হিসাবে ব্যবহার করে ছবি আঁকার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে যাদবপুর আর্টিস্ট ফোরাম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে যাদবপুরো। টলিউডের কলাকুশলীরা যাদবপুরে জমায়েত করেছেন। চলছে গান-বাজনা এবং পথনাটিকা।সাত্যকি বন্দ্যোপাধ্যায় গান গাইছেন। এ ছাড়া, নাচ এবং পথনাটিকাও চলছে। মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। চেয়ার পেতে বসে দেখছেন সাধারণ মানুষ।
স্বাধীনতার দিবসের ঠিক আগের দিন কলকাতা শহরে ‘রাতদখল’-এর ডাক দিয়েছিলেন মহিলারা। সেই ডাক কলকাতার গণ্ডি ছাড়িয়ে সঞ্চারিত হয়েছিল জেলায় জেলায়। সমস্ত স্তরের মানুষজন নেমে এসেছিলেন রাস্তায়। ফের ৮ সেপ্টেম্বর তথা রবিবার রাত দখলের ডাক দিয়েছেন মহিলারা। শহরের সর্বপ্রান্তে শুরু হয়েছে জমায়েত। চলছে রাত দখলের কর্মসূচী। কলকাতা বিমানবন্দর এলাকায় রাতদখলের জমায়েতে ভিড় করেছেন বহু মানুষ। মানুষের জমায়েতে একাকার হয়ে গিয়েছে শ্যামবাজার পাঁচ মাথা এলাকা। বহু মানুষ শ্যামবাজারে জড়ো হয়েছেন। নিজেদের মতো করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। কেউ জাতীয় পতাকা হাতে স্লোগান দিচ্ছেন, কেউ রাস্তায় প্রদীপ জ্বালছেন।


আর জি কর কাণ্ডের ৩০ দিন পরেও কবে মিলবে বিচার? এই দাবিতে রবিবার দুপুর থেকে দফায় দফায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ পথে নেমে আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন। কোথাও মানববন্ধন, আবার কোথাও মিছিলে অংশ নেন সমাজের সকল স্তরের মানুষ। রবিবার রাতে সোদপুর থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত দীর্ঘ পথ জুড়ে হাত হাত ধরে দাঁড়িয়ে তৈরি হয়েছিল মানবশৃঙ্খল। এই কর্মসূচিতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শামিল হয়েছিলেন।

রাস্তাকেই ক্যানভাস হিসাবে ব্যবহার করে ছবি আঁকার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে যাদবপুর আর্টিস্ট ফোরাম। রবিবার রাত ৯টা থেকে গড়িয়া মোড়, গাঙ্গুলিবাগান মোড়, বাঘাযতীন মোড়, সুকান্ত সেতু এবং ৪৫ বাইপাস কানেক্টরে লিখে এবং এঁকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিল্পীদের একাংশ। বিভিন্ন দিক থেকে ছবি আঁকতে আঁকতে শিল্পীরা জড়ো হলেন যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ডে। সেখান থেকেই শুরু হল ‘রাত দখল’ কর্মসূচি।

আরও পড়ুন- মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে কলকাতার CP-র অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার হোক! মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন রাজ্যপালের













